ছবি: সংগৃহীত
-->সাভারের আশুলিয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মদ্যপ অবস্থায় নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষকের দাবি, ঘটনাটি ছয় মাস আগের এবং তিনি মদ্যপ ছিলেন না।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সানোয়ার মাস্টার। তিনি আশুলিয়ার শ্রীখন্ডিয়া মোল্লা মার্কেট এলাকার সালেহা ইদ্রিস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
আরও পড়ুন
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েক সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, হলুদ দেয়ালঘেরা একটি কক্ষে স্যান্ডো গেঞ্জি পরা অবস্থায় রয়েছেন সানোয়ার মাস্টার। তার সামনে একটি টেবিলে মদের বোতল রাখা। পাশে লুঙ্গি ও ফতুয়া পরা এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়ে তাকে নাচতে দেখা যায়। ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এমন আচরণের খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের কাছ থেকে নৈতিকতা ও আদর্শের শিক্ষা পায়। তাই একজন শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উদ্বেগজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সানোয়ার মাস্টার মুঠোফোনে বলেন, ‘এটা কে করেছে, আমি জানি না। ওই বাসার মধ্যে একটা অফিস। সেখানে আমি আর এক মুরুব্বি এমনিই নাচছিলাম। পরে দেখি, কে যেন সামনে একটা বোতল রেখে ভিডিও করেছে। এটা ছয় মাস আগের ঘটনা।’
মদ্যপ অবস্থায় নাচার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘মুরুব্বি আমার দাদা হন। আমরা শয়তানি করে নাচছিলাম। কে যেন বোতল সামনে রেখে ভিডিও করেছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির বিষয়ে তিনি আগে জানতেন না। সাংবাদিকের কাছ থেকেই প্রথম বিষয়টি শুনেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠে থাকলে অবশ্যই আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। তদন্তে ভিডিওটির সত্যতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আহমদ সোহান/আজহার/
