কুড়িগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কুড়িগ্রামের উলিপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বছিরন বেওয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেললাইন পারাপারের সময় চিলমারীগামী রমনা লোকাল ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন বছিরন বেওয়া। এতে তার একটি হাত ও একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাথায়ও গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।’
লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’
সিরাজ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ধামরাইয়ে ডেকে নিয়ে মারধর, ৫ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঢাকার ধামরাইয়ে রাতের আঁধারে ডেকে নিয়ে আবুল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় পাঁচ দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে ধামরাই থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুজন হলেন কাশেম (৪৮) ও রুবেল।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মো. মান্নান (৪৫), আব্দুর রশিদ (৪০), রানা (৪০), শাহীন (৩৫), শামীম (২৬), মো. হাসেন (৫০), ওয়াশিম (৪২) ও আল আমিন (৩২)। এ ছাড়া ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাকরান এলাকায় সরকারি জমি বিক্রি এবং রাস্তার পাশের গাছপালা কেটে ফেলার ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে মান্নান ও তার সহযোগীদের বিরোধ তৈরি হয়। আবুল হোসেনসহ এলাকার কয়েকজন এতে বাধা দেন। এর জেরে গত ২২ অক্টোবর রাতে আবুল হোসেনকে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আবুল হোসেন গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে তাকে ইসলামপুর সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে যাওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার রাতে তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাগ্নে ও মামলার বাদী নাজমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকারি সম্পত্তি ও রাস্তার পাশের গাছ বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় তার মামাকে রাতের আঁধারে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আবুল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কাশেম ও রুবেল নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
রুহুল আমিন/অলি/
আরও পড়ুন
লালমনিরহাটে সারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। এ সময় সার ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারে সার বিক্রি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সার বিতরণের অভিযোগ তোলেন তারা। প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন কৃষকরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের পারুলিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সার ডিলারের বাড়ি বগুড়ায় হলেও স্থানীয় জাদু মেম্বার ও ভুট্টু নামের দুই ব্যক্তি সার বিতরণ করেন। তাদের বিরুদ্ধে কালোবাজারে সার বিক্রি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সার বিতরণের অভিযোগ রয়েছে। ডিলারের লোকজন একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে গভীর রাতে নিজেদের পছন্দের লোকজনকে ১০-১২ বস্তা করে সার দিচ্ছেন। অথচ সাধারণ কৃষকরা দিনের পর দিন ঘুরেও প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
১ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক একরামুল বলেন, ‘যে সময়ে সারের প্রয়োজন, সেই সময়ে যদি সার না পাই, তাহলে কৃষক ও তাদের পরিবার কীভাবে বাঁচবে? প্রয়োজনে খোলাবাজারে ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দিয়েও সার কিনতে রাজি আছি। তবুও যেন সঠিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। দীর্ঘদিন ঘুরেও সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বাধ্য হয়ে আমরা মহাসড়কে অবরোধ করেছি।’
চরাঞ্চলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক মমিনুর ইসলাম বলেন, ‘ডিলারের মাধ্যমে সার বিতরণ বন্ধ করে খোলাবাজারে সার সরবরাহ চাই। সার বিতরণে অনিয়ম বন্ধ করে প্রকৃত কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কালোবাজারে সার বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
স্থানীয় কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ভুট্টার আগাম চাষের মৌসুমে সময়মতো সার না পেলে কীভাবে চাষাবাদ করব? সার ছাড়া জমিতে ঠিকমতো আবাদ করা যায় না। সময়মতো সার দিতে না পারলে ফসল লাল হয়ে যায়, ফলনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমাদের সারা বছর সংসার চলে ভুট্টা চাষের আয়ের ওপর। এই ফসলের ওপর নির্ভর করেই পরিবারের ভরণপোষণ করতে হয়। তাই সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন-অর রশিদ বলেন, ‘সার বিতরণের জন্য আমাদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে বিতরণ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় দিতে হবে। প্রয়োজনে আমরা আগামী মাসের বরাদ্দের সার দিতে পারব। বর্তমানে ছয়টি ওয়ার্ডে সার বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে সার বিতরণ শেষ হবে। কালোবাজারে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।’
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপন মিত্র বলেন, ‘কৃষক ভাইদের আমরা অনুরোধ জানিয়েছি যে আপনারা ধৈর্য ধারণ করবেন, আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ সার আছে। সার কার্ড যে কৃষক ভাইদের কাছে আছে, তারা সবাই সার পাবেন। এ বিষয়ে আপনাদের দুশ্চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। ওনারা আমাদের কথা গুলো শুনেছেন, কার্ডগুলো আমাদের দিয়েছেন। পরবর্তীতে আমরা কার্ডের মাধ্যমে সার বিতরণের চেষ্টা করবো।’
বকুল/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে আমির হোসেন লিটন নামে এক ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে শহরের পান্না চত্বরসংলগ্ন পৌর ইউ মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ লিটনকে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত আমির হোসেন লিটন রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ ইউনিয়নের বৃচাত্রা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি বানিবহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
লিটনের জানান, রাজবাড়ী আদালতে একটি মামলায় হাজিরা শেষে সঙ্গী হাসুকে নিয়ে রিকশায় করে শহরের কাপড় বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে পান্না চত্বর পার হয়ে পৌর ইউ মার্কেটের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে আসা একটি অটোরিকশা তাদের রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় অটোরিকশার ভেতর থেকে তাকে লক্ষ্য করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এর মধ্যে একটি গুলি তার ডান হাতে লাগে। বাকি দুটি গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
লিটনের সঙ্গে থাকা হাসু জানান, হামলাকারীদের ছোড়া একটি গুলি তার পেট ঘেঁষে চলে যায়। তবে এতে তিনি আহত হননি।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, এক্স-রে পরীক্ষায় দেখা গেছে, গুলিটি লিটনের হাতের মাংসপেশির মধ্যে আটকে রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন বলেন, হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে কাজ করছে।
সুমন বিশ্বাস/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
উখিয়ায় ৭ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে প্রাকৃতিক গ্যাসের আগুন, নিয়ন্ত্রণে আসছে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি বাড়িতে গভীর নলকূপের পাইপ বসানোর সময় হঠাৎ গ্যাস নির্গত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সাত ঘণ্টা পার হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উখিয়ার ইনানী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল্লাহর বাসার আঙিনায় এ ঘটনা ঘটে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রায় ১০ দিন আগে ওই এলাকার আবদুল্লাহর ভাড়া বাসার আঙিনায় পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু হয়। প্রায় এক হাজার ফুট খনন করেও পানি না পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে গর্তটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে ওই গর্ত থেকে হঠাৎ গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে আগুন জ্বলে ওঠে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। গর্ত থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গত হতে থাকায় আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা জটিল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার দোলন আচার্য্য জানান, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্যাসের প্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
এদিকে, প্রাকৃতিক গ্যাস নির্গমন ও আগুন জ্বলে ওঠার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় তিনি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মাটির নিচ থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গত হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা নেওয়ার উদ্যোগ নেয় বলে জানান।
তিনি বলেন, ঘটনাটি ইতোমধ্যে বাপেক্স সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বাপেক্সের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্যাস নির্গমনের প্রকৃতি, সম্ভাব্য উৎস এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত পদ্ধতি পর্যালোচনা করবে। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরিস্থিতি নিরাপদ পর্যায়ে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত কারণ ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরূপণে বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ঘটনাস্থলের আশপাশে বসতি তুলনামূলক কম থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের আশঙ্কা কম। তবে গ্যাস নির্গমন অব্যাহত থাকায় সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
রিদুয়ানুল সোহাগ/খাদিজা রুমি/
