গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলায় মদ্যপানে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) ও রোববার উপজেলার দিঘলীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অনিল বাড়ৈ নামে আরেক যুবক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত মনোতোষ হালদার (৩৮) দিঘলীয়া গ্রামের মহেন্দ্র হালদারের ছেলে ও কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈ (৩৪) একই গ্রামের গেদু বাড়ৈর ছেলে।
জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ষষ্ঠী পূজার দিন রাতে দিঘলীয়া গ্রামের মনোতোষ হালদার, কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈ ও অনিল বাড়ৈ মিলে মদ্যপান করেন। মদ্যপান করার পরে রাতে ওই তিন যুবক অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকার লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই তিন যুবকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। পরবর্তীতে ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার মনোতোষ হালদার ও রোববার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈ মারা যান।
মৃত কৃষ্ণকান্ত বাড়ৈর ভাই বিষ্ণু বাড়ৈ বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমার ভাই কৃষ্ণান্তসহ তিনজন ডেকোরেটরের কাজ করতে পাশের গ্রাম খাগবাড়ি যান। সেখানে গিয়ে কয়েকজনে মদ্যপান করেন। মদ্যপানের কয়েক ঘণ্টা পর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অনবতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করি। গত রোববার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ব্যাপারে আমরা থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করিনি।
মনোতোষ হালদারের ভাই উত্তম হালদার বলেন, আমার ভাই মনোতোষ হালদার পূজায় ডেকোরেটরের কাজে গিয়ে পানি জাতীয় কিছু খেয়েছিল। সে কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। এরপরে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করি। গত শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় পপুলার হাসপাতালে তিনি মারা যান।
এ ব্যাপারে কোটালিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
