লন্ডনে সোমবার অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাবের পুরস্কার জিতেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো এই সম্মান অর্জন করেছে ফ্রান্সের ক্লাবটি।
হেড কোচ লুইস এনরিকের অধীনে আরেকটি দুর্দান্ত মৌসুম কাটানোর স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার পেয়েছে পিএসজি। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি ফরাসি ফুটবলেও নিজেদের আধিপত্য অব্যাহত রেখেছে তারা।
বর্ষসেরা ক্লাবের পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় পিএসজির সঙ্গে ছিল আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ, ফ্লামেঙ্গো ও নরওয়ের ক্লাব বোদো/গ্লিম্ট। তাদের পেছনে ফেলে পুরস্কার জিতে নেয় ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।
পিএসজির পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন ফ্রান্সের জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে।
গত এক বছরে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা জিতেছে পিএসজি। টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পাশাপাশি ২০২৫-২৬ মৌসুমে ফরাসি লিগের শিরোপা, ফিফা আন্তমহাদেশীয় কাপ ও উয়েফা সুপার কাপও জিতেছে তারা।
ঘরোয়া ও ইউরোপীয় ফুটবলে এই সাফল্য বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী ক্লাব হিসেবে পিএসজির অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।
ব্যক্তিগত ব্যালন ডি’অরের মনোনয়নেও ইতিহাস গড়েছে ফরাসি ক্লাবটি। এক আসরে পুরুষদের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নিজেদের ১০ জন খেলোয়াড়কে জায়গা করে দেওয়া প্রথম ক্লাব পিএসজি।
মনোনীতদের মধ্যে ছিলেন মরক্কোর জাতীয় দলের তারকা আশরাফ হাকিমি। ক্লাবের শিরোপাজয়ী মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই রক্ষণভাগের খেলোয়াড়।
এবারের ব্যালন ডি’অরের চূড়ান্ত তালিকায় ১৩তম হয়েছেন হাকিমি। আগের আসরে তিনি ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন।
পিএসজির অন্য মনোনীত খেলোয়াড়েরা হলেন উসমান দেম্বেলে, খভিচা কাভারাস্খেলিয়া, মারকিনিওস, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস ও ভিতিনিয়া।
লুইস এনরিকের অধীনে পিএসজির অর্জনের তালিকায় নতুন সংযোজন এই পুরস্কার। তার প্রশিক্ষণে দলটি ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।
লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয় ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান। মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার প্রবর্তনের ৭০ বছর পূর্তিও ছিল এবারের আয়োজনের বিশেষ উপলক্ষ।
