অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পাত্রে খোলা ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি, তেল সংরক্ষণের পাত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত লেবেল প্রদর্শন নিশ্চিত করতে বলা হয়
অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন ড্রামে খোলা ভোজ্যতেল সংরক্ষণ এবং লেবেলবিহীন সয়াবিন ও পাম তেল বিক্রির দায়ে রাজধানীর তিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকা মহানগরীর শাহ আলী ও মিরপুর এলাকার বিভিন্ন বাজারে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় কার্যক্রম তদারকির সময় এসব অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এ অভিযানে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এবং কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সমন্বিতভাবে অংশ নেয়।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান এবং প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাহমিনা বেগমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় শাহ আলী মার্কেটের মেসার্স নিউ আহমেদ ট্রেডার্সকে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর ড্রামে খোলা ভোজ্যতেল সংরক্ষণের দায়ে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই মার্কেটের নিউ হাওলাদার ট্রেডার্সকে অস্বাস্থ্যকর ড্রামে লেবেলবিহীন খোলা সয়াবিন ও পাম তেল সংরক্ষণের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে, কল্যাণপুরের নতুন বাজারে মেসার্স হাসেম জেনারেল স্টোরকে একই অপরাধে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ পাত্রে খোলা ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি, তেল সংরক্ষণের পাত্রে প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত লেবেল প্রদর্শন নিশ্চিত করতে বলা হয়।
এ সময় উপস্থিত ভোক্তাদের ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন সম্পর্কে সচেতন করতে লিফলেট ও প্যামফ্লেট বিতরণ করা হয়। কোনো পণ্য বা সেবা কিনে প্রতারিত হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর আহ্বানও জানানো হয়।
