মহালছড়িতে গৃহবধূর রহস্য জনক মৃত্যু, হত্যা নাকি আত্মহত্যা
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
- আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় মাহফুজা আক্তার মনি (১৮) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) ভোর রাতে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের দাবি এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে, স্বামীর পরিবারের দাবি ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত মাহফুজা আক্তার মনি মহালছড়ি সদর ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকার মজিবুর রহমানের মেয়ে।
তার স্বামী সুজন (২০) মাইসছড়ি ইউনিয়নধীন নুনছড়ি গুচ্ছগ্রামের নুর আলমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মাহফুজার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল নেশাগ্রস্ত স্বামী ও তার পরিবার।
এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যা নয়, বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।
এদিকে স্বামীর পরিবারের দাবি, গৃহবধূ নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে মহালছড়ি থানার পুলিশ জানায়, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের মা মনোয়ারা বেগম মহালছড়ি থানা চার জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ মহালছড়ি থানায় আসার পর লাশের আত্মীয়-স্বজনের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
