পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) পরিবহন সংকট নিরসনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে দুটি বিআরটিসি ডাবল ডেকার বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাস দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় যুক্ত হয়ে নিয়মিত চলাচল করবে বলে জানা গেছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সোমবার ২৬ অক্টোবর বিআরটিসির সঙ্গে পবিপ্রবির একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পবিপ্রবির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন ও বিআরটিসির পক্ষে বরিশাল ডিপোর ম্যানেজার মো. জুলফিকার আলী। এ সময় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. বি. এম. সাইফুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাসুদুর রহমান, পরিবহন কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহিমসহ শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আজ অত্যন্ত আনন্দের ও বিশেষ দিন। আমাদের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রধান সমস্যা ছিল পরিবহন সংকট। দূরদূরান্ত থেকে, বিশেষ করে বরিশাল, পটুয়াখালীর আশপাশের অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে যাতায়াত করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল। তাদের এই যাতায়াতের ভোগান্তি ও কষ্টের কথা চিন্তা করে আমরা একটি আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলার যে প্রত্যয় নিয়েছিলাম, আজকের এই চুক্তি স্বাক্ষর তারই একটি বাস্তব প্রতিফলন। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের সঙ্গে আজ আমাদের যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, এর মাধ্যমে আগামী ১ নভেম্বর থেকে দুটি ডাবল ডেকার বাস নিয়মিত আমাদের শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।”
উল্লেখ্য, গত ১৪ অক্টোবর বিআরটিসির বরিশাল ডিপো থেকে একটি ডাবল ডেকার বাস পরীক্ষামূলকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নেওয়া এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বিআরটিসির ডাবল ডেকার বাস চালু হলে দীর্ঘদিনের পরিবহন সংকট অনেকাংশে দূর হবে এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরবে।
শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আধুনিক ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
