ফুলবাড়ীতে বাড়ছে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ক্ষুদ্র খামারীর স্বপ্ন পুড়ে ছাই
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা বাড়ছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে এখানে অবাসনের প্রকল্পের ঘরসহ পৃথক ৩টি স্থানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মানুষ আহত হওয়াসহ গরু ঘরবাড়ি আসবাপত্রাদি পুড়ে ছাই হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই সহায়তা না পেয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। ক্ষুদ্র খামারী হওয়ার স্বপ্নও পুড়ে ছাই হচ্ছে। এরমধ্যে রোববার ভোর সকালে ফুলবাড়ী উপজেলা সদরের সেনপাড়া গ্রামের ক্ষুদ্র খামারী রতন চন্দ্র সেনের (৫০) গোয়াল ঘরে অগ্নিকান্ড ঘটে। এতে রতন চন্দ্রের ৮০ হাজার টাকার মূল্যের একটি গরু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আহত হয়েছে ৮০ হাজার টাকা মূল্যের আরও একটি গর্ভবতি গরু। পুড়ে যায় একটি গোয়াল ঘর। এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত রতন চন্দ্রের ছোটভাই রনজিৎ চন্দ্র সেন জানান, তিনি রোববার ভোর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান তার বড়ভাই রতন চন্দ্র সেনের গোয়াল ঘরে দাউ দাউ কওে আগুন চলছে। এরপর তিনি চিৎিকার শুরু করলে এলাাকাবাসী ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে একটি গরু পুড়ে যায়। পরে অপর গরুটির গায়ে আগুন ধরলে তিনিসহ এলাাকাবাসী গরুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন। এতে আগুনের লেলিহান শেখায় তার হাত পুড়েছে। আহত গরুটির পেটের চামড়া পুড়ে গেছে। স্থানীয় পশুর চিকিৎসকের মাধ্যমে গরুটির চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আগুনের সূত্রপাত কি তা তিনি জানাতে পারেননি। এছাড়াও গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলা সদরের পানিমাছরুটি গ্রামের ক্ষদ্রখামারী একরামুল হকের গোয়াল ঘওে গরুকে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষাকারী প্রজ্জ্বলিত কয়েলের আগুনে পুড়ে যায় প্রায় লাখ টাকা মূল্যের একটি গরু। অপরদিকে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্ব ধনিরাম আবাসন প্রকল্পের অসহায় ফজিলা বেওয়ার ঘরে অগ্নিকান্ডে দুটি ঘরসহ ফজিলা বেওয়ার পোষা দুইটি ছাগল পড়ে ছাই হয়। এতে এই অসহায় নারীর প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়। এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজদ্দৌরা জানান, আমরা অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আবেদনের আলোকে তালিকা তৈরি করছি। তালিকানুযায়ী বরাদ্দ আসলেই সহায়তা প্রদান করছি।

মতলব স্পোর্টিং ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন মতলব স্পোর্টিং ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের ৬৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে মো. ফয়সাল খন্দকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সালাউদ্দিন প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার (২৫ অক্টোবর) ক্লাবের সাধারণ সভায় কমিটি ঘোষণা করা হয়। খেলাধুলার প্রসার, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ধারার বিনোদনে সম্পৃক্ত করা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার লক্ষ্য নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন মেহেদী আহমেদ শান্তন এবং সহ-সভাপতি হিসেবে দীপু সরকার, মল্লিক বাবু, নবীর হোসেন বাবু, শাহীন প্রধান, কাজী মিরাজ, নুর হোসেন, সোহেল রানা সরকার, নুরজ্জামান সরকার রাজিব, গোলাম সানজারী, মহিউদ্দিন সৌমিক, মো. জুবায়ের হোসেন, তামজিদ আহমেদ, তোফায়েল হোসেন পাটোয়ারী ও ফয়েজ আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন প্রধানের সঙ্গে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. ইকরাম হোসেন মুনা, মো. আল হাফিজ হিরণ, ওয়াহেদুজ্জামান রিয়াদ, ইমন খান, আসিফ প্রধান, সিয়াম সরকার, মোবারক হোসেন জাহিদ, ইকবাল হোসেন সাকিব ও বিশ্বর হোসাইন। এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নুরে আলম জিকো এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আল-আমিন মিয়াজী, শোয়ের আহমেদ শাহরিয়ার, শাওন প্রধান, জাহিদ ইসলাম, সাকিফুল আলম সাকিব ও নুরে আলম জিকো দায়িত্ব পেয়েছেন। কমিটির অন্যান্যরা হলেন, কোষাধ্যক্ষ ইয়াসিন আরাফাত শুভ, ক্রীড়া সম্পাদক নাজমুল ইসলাম শাওন, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আখতার আহমেদ (তামিম), দপ্তর সম্পাদক দীপু আহমেদ মিয়াজী, সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন সিয়াম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক মো. আনোয়ার মৃধা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক জসিম প্রধান, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাদেক হোসেন বাবু এবং আইন ও শৃঙ্খলা বিষয়ক সম্পাদক নুরে আলম প্রধান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জয়ন্তী ভৌমিক, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রিমা আক্তার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মোস্তফা আকবর রিসাত, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মুমিন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তানজিলা আক্তার, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান রিয়ান, সহ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তামিম মুফা, ক্রীড়া উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তানভীর জাবেদ এবং সহ-ক্রীড়া উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা সুমন দায়িত্ব পেয়েছেন। ক্লাবের সম্মানিত সদস্য হলেন: এএস পলাশ, সাকিব সরকার, মোল্লা সাব্বির, আরমান, আসিক খান, মুজাহিদুল ইসলাম রাফি, সাব্বির, মোজাহিদুল ইসলাম সকাল, মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ রতন ও জিহাদ হোসেন। নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. ফয়সাল খন্দকার বলেন, “মতলব স্পোর্টিং ক্লাবকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর ক্রীড়া সংগঠন হিসেবে এগিয়ে নেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা, নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে মতলবের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরা কাজ করতে চাই। এ জন্য ক্লাবের সব সদস্যের সহযোগিতা ও ঐক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই, ক্লাবটি শুধু খেলাধুলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও ভূমিকা রাখুক। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মতলব স্পোর্টিং ক্লাবকে একটি আদর্শ সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করব।” ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন প্রধান বলেন, “নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি তরুণদের প্রতিভা বিকাশ, নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করার বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দেব। ক্লাবের প্রতিটি সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মতলব স্পোর্টিং ক্লাবের নতুন কমিটি আন্তরিকভাবে কাজ করবে। এ জন্য স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।” ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশা করে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে মতলব স্পোর্টিং ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ক্লাবটি এলাকার ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি শক্তিশালী ও কার্যকর ক্রীড়া সংগঠন তরুণ সমাজকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সে লক্ষ্য সামনে রেখে নতুন কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের।

কুলাউড়ায় পাঁচ শতাধিক নারী চা-শ্রমিক পেলেন রেইনকোট
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার জয়চন্ডী ইউনিয়নের তিন'টি চা-বাগানের পাঁচ শতাধিক নারী চা শ্রমিকদেরকে রেইনকোট দেওয়া হয়েছে। বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা মোতাবেক বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে সুরক্ষা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এই রেইনকোট দেওয়া হয়। এ নিয়ে উপজেলায় দ্বিতীয় দফায় রেইনকোট বিতরণ করেন আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু এমপি। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় দিলদারপুর, দুপুর ১২ টায় বিজয়া এবং দুপুর ১ টায় মেরিনা চা-বাগানে নিয়মিত ৫৩৩ জন মহিলা শ্রমিকদের হাতে রেইকোটগুলো তুলে দেওয়া হয়। এরমধ্যে দিলদারপুর চা-বাগানের ১৭৬ জন, বিজয়া চা-বাগানের ৮৪ জন এবং মেরিনা চা-বাগানের ২৭৩ জন রেজিস্ট্রার্ড মহিলা শ্রমিক এসব রেইনকোট পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য চা-বাগান গুলোতেও রেইনকোট বিতরণ করা হবে। জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমান ইমরানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহিতুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে আমি প্রথম চা-শ্রমিকদের রেইনকোটের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। আমি নির্বাচনের সময় চা-শ্রমিকদের বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে দেখেছি। সেদিন আমি ওয়াদা করেছি নির্বাচিত হই বা না হই, চা-শ্রমিকদের জন্য রেইনকোটের ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটের চা-বাগান শ্রমিকদের মধ্যে বেসরকারি খাতের সিএসআর তহবিলের সহায়তায় ইতিমধ্যে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করেছেন। প্রথম ধাপে কুলাউড়ার বিভিন্ন বাগানে আড়াই হাজার রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে। এখন আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অন্যান্য চা বাগান গুলোতে নারী চা-শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করছি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রানেশ চন্দ্র বর্মা, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না, দিলদারপুর চা-বাগানের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম, মেরিনা চা-বাগান ব্যবস্থাপক গোলাম ফারুক, বিজয়া চা-বাগান ব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমর উদ্দিন কমরু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মইনুল হক বকুল, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বৈদ্য, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম আলো, যুবদল নেতা, জুনেদ আহমদ, রাজন আহমদ, ইউপি সদস্য সাবিত্রী রানী রাজভর, মেরিনা পঞ্চায়েত সভাপতি খোকা নায়েক, আব্দুল করিম, আবুল হোসেন প্রমুখ।

তেতুলিয়ায় ভজনপুর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির জুনায়েদ সভাপতি, জমির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর বাজার দোকান ও প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ী সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে নুরুজ্জামান জুনায়েদ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জামিরুল ইসলাম জমির নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভজনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয়টি পৃথক বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ৮৩৩ জন ভোটারের জন্য ভোটগ্রহণ করা হয়। ১০টি পদের বিপরীতে ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আশরাফুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতি পদে ছাতা প্রতীক নিয়ে নুরুজ্জামান জুনায়েদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চাকা মার্কা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমানের সঙ্গে। নির্বাচনে ৪২২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন নুরুজ্জামান জুনায়েদ। সহ-সভাপতি পদে হাতি প্রতীক নিয়ে লুৎফর রহমান (বড়দা) ৫২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থীর মধ্যে বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে জামিরুল ইসলাম জমির ৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নুর আলম ৫২৬ ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করে। কোষাধ্যক্ষ পদে জগ মার্কা প্রতীক নিয়ে খায়রুল আলম ৩৫৪ ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করে। প্রচার সম্পাদক পদে সেলাই মেশিন প্রতীক নিয়ে জুমের আলী ২৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। দপ্তর সম্পাদক পদে মাছ প্রতীক নিয়ে হোটেল ব্যবসায়ী তরিকুল ইসলাম ৩২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। এছাড়া কার্যকরী সদস্যের তিনটি পদের বিপরীতে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে জোড়া ডাব প্রতীক নিয়ে তছলিম উদ্দিন ৫০০ ভোট, কুলা প্রতীক নিয়ে নুর আলম ৪৬৪ ভোট এবং বালতি প্রতীক নিয়ে ইলিয়াস আলী ৪৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এই অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করেন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কাজী আনোয়ার হোসেন, আব্দুল লতিফ খান, মো. তাসকিনুর রহমান পিন্টু, মো. রিয়াজুল ইসলাম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম ও আব্দুল কাদের। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়। ভজনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুলার রহমান প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ধামইরহাটে দলীয়করণের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
নওগাঁর ধামইরহাটে প্রশাসনকে ব্যবহার করে দলীয়করণের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে উপেক্ষা করার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জামায়াতে ইসলামী ধামইরহাট উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে এসে শেষ হয়। পরে ধামইরহাট-জয়পুরহাট আঞ্চলিক সড়কের পাশে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রভাবে প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ধামইরহাটের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ জনগণ উপেক্ষিত হচ্ছেন বলে দাবি করেন তাঁরা। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুল আজিজ, মাওলানা আতাউর রহমান, উপজেলা শাখার আমির হাফেজ রেজওয়ান হোসেন, পৌর আমির আবুসাইদ ও নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ প্রমুখ। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

