খুলনার তেরখাদা উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত।
তিনি বলেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। এ সমস্যা থেকে উত্তরণে অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সরকারি সেবাকে সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
গত ২৬ অক্টোবর বিকেলে তেরখাদা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব। পরিচ্ছন্নতাকে শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোথাও যেন পানি জমে মশার বংশবিস্তার না ঘটে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তাহমিনা সুলতানা নীলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান, ভেটেরিনারি সার্জন জুপি রানী সরকার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুল হক,
আইসিটি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা অতিশ সরদার, উপজেলা প্রকৌশলী মাসুদ আজিজুর রহমান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই, সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার পুষ্পেন্দু কুমার ঘরামী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হানিফ শিকদার এবং তথ্যসেবা কর্মকর্তা তাসলিমা খাতুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় জেলা প্রশাসক তেরখাদাকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শন করেন।
বিআলো/আমিনা