Published on
:
2 min read
এই সময়: এমনিতে নামেই সামার, ওয়েলিংটনে গ্রাউন্ডসম্যানদের প্রায় সবাইকেই দেখা যাচ্ছে মোটা জ্যাকেট পরে আছেন। মাঠে সারাক্ষণই বইছে ঝোড়ো হাওয়া। এই ঝোড়ো হাওয়ার জন্যই ওয়েলিংটনকে বলা হয় ‘উইন্ডি ওয়েলিংটন।’ এতে উঁচু ক্যাচ ধরার ক্ষেত্রে যেমন বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন, ঠিক তেমনই হাওয়াকে ব্যবহার করে সুইং বোলাররা ফায়দা তুলতে পারেন।
চার বছর পরে জাতীয় টিমে ফিরেছেন ভুবনেশ্বর কুমার। কিন্তু ঘটনা হলো, দুটি ম্যাচে তিনি যথাক্রমে ৪৯ ও ৫০ রান দিয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন। তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ভুবি বল করছেন ১২৫–১২৯ কিলোমিটার গতিতে। যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। রবিচন্দ্রন অশ্বিন যেমন বলছেন, ‘ভুবির হাতে চমৎকার সুইং আছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন সফল হতে গেলে আপনাকে ১৩৫ কিলোমিটার গতিতে বল করতেই হবে। না হলে ব্যাটার আপনাকে ধরে ফেলবে।’
ঈশান কিষান চোট পেয়ে বাইরে চলে যাওয়ায় আজ ফের তিন নম্বরে দেখা যেতে পারে বৈভব সূর্যবংশীকে। আগের ম্যাচে তিনে নেমে বৈভব রান পাননি। এখানেও নানা মুনির নানা মত। অনেকেই মনে করছেন, বৈভবকে যদি খেলাতেই হয়, ওপেন করানোই সবচেয়ে ভালো। সে ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ সঞ্জু তিন নম্বরে নেমে আসতে পারেন। সঞ্জুর অভিজ্ঞতা আছে, তিনি নতুন পজ়িশনে মানিয়ে নিতে পারবেন। এ–ও বলা হচ্ছে, বৈভবকে নিয়ে মিডিয়ার অতিরিক্ত উৎসাহ তাঁর ফোকাসে চাপ বাড়াচ্ছে।
কোনও সন্দেহ নেই, ভারতের এই টি–টোয়েন্টি টিমে নিয়মিত ম্যাচ জেতানোর নায়ক হিসেবে এখন শীর্ষবাছাই তিলক ভার্মা। শেষ ২৬টা রান তাড়া করার ম্যাচে অপরাজিত থেকেছেন তিলক, জিতেছেন প্রত্যেকটা ম্যাচ। আবার অর্শদীপ সিং এই বছরে টি–টোয়েন্টিতে নিয়েছেন ৩৮টি উইকেট। এই তালিকায় সর্বোচ্চ জস লিটলের ৩৯ উইকেট।
হার্দিকের অনুপস্থিতিতে ভারত সেই জায়গায় তিন জনকে ব্যবহার করছে। কখনও নীতীশ কুমার রেড্ডি, কখনও নমন ধীর, কখনও শিবম দুবে। হার্দিক যত দিন না ফিরছেন, তত দিন এ ভাবেই এগোনোর ভাবনা টিম ম্যানেজমেন্টের। নীতীশ কুমার রেড্ডিকে দিয়ে দুটি ম্যাচে ১৯ নম্বর ওভার বল করানো এর বড় উদাহরণ।
ওয়েলিংটনে মাঠ ছোট। উইকেটের স্কোয়্যারে বাউন্ডারি মাত্র ৬০ মিটার। কাজেই ২০০ প্লাস স্কোর হওয়া প্রত্যাশিত। ভারত যদি আজ ৩–০ করে ফেলতে পারে, শেষ দুটো ম্যাচে পরীক্ষা–নিরীক্ষার সুযোগ থাকবে।