স্টাফ রিপোর্টার ॥
ভোলার দৌলতখানে জীবিত এক জেলেকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করতে রাজি না হওয়ায় সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামে এক গ্রাম পুলিশকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মনির হোসেন নামে অপর এক গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে। আহত সাদ্দাম বর্তমানে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার দৌলতখান উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। আহত সাদ্দাম চরখলিফা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল খালেক চৌকিদারের ছেলে।
আহত সাদ্দাম হোসেনের অভিযোগ, জীবিত এক জেলেকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করতে রাজি না হওয়ায় মনির হোসেন তাঁর ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁকে মারধর করা হলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। পরে তাঁর মাথায় একাধিক সেলাই দিতে হয়। বর্তমানে তিনি দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকসে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাদ্দাম আরও অভিযোগ করেন, চরখলিফা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জেলেদের জন্য বরাদ্দ করা চাল বস্তায় বস্তায় আত্মসাৎ করেন গ্রাম পুলিশ মনির। এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে দেওয়ার পর থেকেই তাঁর সঙ্গে মনিরের বিরোধ চলছিল বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, একের পর এক গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চরখলিফা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ মনির হোসেন তাঁর সঙ্গে সাদ্দামের কথা-কাটাকাটি হওয়ার কথা স্বীকার করলেও তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল মতিন খান জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।