চীনের পাঁচ বাংলাদেশি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। আটককৃতদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছে। তাদের মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আদালতে হাজির করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ওই দেশের আইনে কারাদণ্ড হতে পারে।
জানা গেছে, চীনের গুয়াংজুতে ক্যান্টন ফেয়ারে অর্থের বিনিময়ে পাঁচজন চীনা নাগরিককে নিজেদের ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট’ হিসেবে দেখানোর অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। বাংলাদেশীদের সঙ্গে ওই পাঁচজন চীনা নাগরিককেও আটক করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, চীনের ক্যান্টন ফেয়ারে অর্থের বিনিময়ে পাঁচজন চীনা নাগরিককে নিজেদের ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট’ হিসেবে দেখিয়ে অবৈধভাবে মেলায় প্রবেশ করানো হয়। এই কারণে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক সাদা পোশাকের পুলিশের হাতে আটক হন। ওই সময়ে তাদের সঙ্গে ওই পাঁচজন চীনা নাগরিককেও আটক করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থের বিনিময়ে অন্য ব্যক্তিদের বৈধ অনুমতি বা প্রবেশের নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ না করে ক্যান্টন ফেয়ারে প্রবেশের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ ধরনের কাজে জড়িত হওয়া চীনের আইন ও মেলার প্রবেশবিধি লঙ্ঘনের কারণ হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও সম্ভাব্য শাস্তি আদালতের সিদ্ধান্ত এবং প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করবে।
অভিযোগে জানা গেছে, বাংলাদেশের কিছু অসাধু ট্রাভেল এজেন্সি আর্থিক লাভের আশায় মানুষকে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে উৎসাহিত করছে। তাই কোনো এজেন্সি বা মধ্যস্থতাকারীর কথায় বিশ্বাস করে নিজের ভ্রমণ, ব্যবসা কিংবা ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাভেল এজেন্সি খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা।
নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা ট্রাভেল এজেন্সিগুলো জানিয়েছে, যারা ভবিষ্যতে ক্যান্টন ফেয়ারে অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছেন, তাঁদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ: অবশ্যই বৈধ আমন্ত্রণপত্র, উপযুক্ত প্রবেশ অনুমতি এবং মেলার নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করুন। সামান্য কিছু অর্থ সাশ্রয় বা উপার্জনের আশায় অবৈধ পন্থা অবলম্বন করবেন না।
মনে রাখবেন, বিদেশে একটি ভুল সিদ্ধান্তের পরিণতি শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি অন্য বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সচেতন হোন, আইন মেনে চলুন এবং বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখুন।
