সংবাদ বিজ্ঞপ্তি · ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:০৭ অপরাহ্ন
চারুকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেয়েছেন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার চিত্রশিল্পী ও চারুহাট চিত্রাংকন একাডেমির পরিচালক জিয়াউল হক জিয়া।
গত শনিবার সিলেট বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। ইতিহাসবিদ ড. মুমিনুল হক একাডেমি সিলেট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিবছর সিলেট বিভাগের চার জেলার গুণী ব্যক্তিদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৪০ জনকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির সভাপতি ও লোকসংস্কৃতি গবেষক আবু সালেহ আহমদ। সঞ্চালনা করেন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মো. ফাতাউর রহমান ও উপস্থাপিকা হেপি জান্নাত। প্রধান অতিথি ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. আশরাফুল করিম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাসুদুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুল হক এবং কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক ও গল্পকার সেলিম আওয়াল।
জিয়াউল হক জিয়া ২০১১ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির কুলাউড়া শাখায় চারুকলা প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরের বছর নবীনচন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে চারু ও কারুকলা বিষয়ে শিক্ষকতা করেন তিনি। ২০১৫ সালে কুলাউড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন চারুহাট চিত্রাংকন একাডেমি।
জিয়ার আঁকা চিত্রকর্ম বাংলাদেশ ছাড়াও ইকুয়েডর, নেপাল ও ভারতের বিভিন্ন প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। ছবি আঁকার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা ও টেলিভিশন এবং মঞ্চনাটকে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত। শিশু-কিশোরদের জন্য তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘ঘুমন্ত বিবেক জাগানোর সভা’, ‘দুষ্টু এক আমি’, ‘ভূতুড়ে মাছ’ ও ‘বোকা ধোঁকা’।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
