অভিযোগের সূত্র ধরে জানা যায়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের জনি ফটোকপির দোকান থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানার পর সহকারী কমিশনার মির্জা শহিদুল ইসলাম ওই দোকানে অভিযান চালান। অভিযানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে ২০২৭ সালের এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। স্থগিত হওয়া পরীক্ষাটি আগামী শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি লুৎফুন নাহার বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। পরে তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় অংশ নেন। সভায় বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কমিটির সব সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার বলেন, “প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ রেজাউল করিম বলেন, “গত রাতে ২০২৭ সালের এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন ফাঁস হয়। এরপর বাংলা পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত পরীক্ষাটি আগামী শনিবার, ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে প্রশাসন কাজ করছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কোনো শিক্ষক জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়টির পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
The post চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসে পরীক্ষা স্থগিত, তদন্ত কমিটি গঠন appeared first on ভোরের চেতনা.
