October 28, 2026, 12:46 am
আরব অধ্যুষিত এলাকায় ভোটার উপস্থিতি বেশি, উদ্বিগ্ন নেতানিয়াহু
Reporter Name
- Update Time : Wednesday, October 28, 2026
- 13 Time View
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরাইলে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণের শেষ পর্যায়ে এসে নড়েচড়ে বসেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি ও তার ডানপন্থি মিত্ররা। আরব অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি আশানুরূপের চেয়ে অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাওয়ায় মূলত এই উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্য টাইমস অব ইসরায়েল-এর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রগুলোতে রক্ষণশীল ও ডানপন্থি ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্তের কৌশলগত তৎপরতা শুরু করেছে ক্ষমতাসীন জোট। দেশটির রাজনৈতিক মহলে এই উচ্চ ভোটার হার নিয়ে নানা সমীকরণ ও জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।
নির্বাচনী লড়াইয়ের ফল নিজেদের পক্ষে রাখতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ জরুরি বৈঠকে মিলিত হন। রিলিজিয়াস জায়োনিজম পার্টির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার আগেই ডানপন্থি শিবিরকে বাঁচাতে এই আকস্মিক বৈঠক ডাকা হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সরকারপ্রধানদের সঙ্গেও জরুরি যোগাযোগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী স্মোট্রিচ তার নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফিরে যান।
ডানপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান আশঙ্কা হলো, আরব এলাকায় ভোটার উপস্থিতি বেশি হলে এবং সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রে টানতে না পারলে ছোট ডানপন্থি দলগুলোর পার্লামেন্টে প্রবেশ কঠিন হয়ে পড়বে। এই আশঙ্কার জেরে রিলিজিয়াস জায়োনিজম পার্টি সাধারণ ভোটারদের এমন রাজনৈতিক দলগুলোকে ভোট দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে, যাদের ইসরায়েলি পার্লামেন্ট বা নেসেটে আসন পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, এই রাজনৈতিক সংকট কাটাতে নেতানিয়াহু জোটের শরিক এবং জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির বাত ইয়াম শহরে সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালান।
নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে শুধু মন্ত্রীরাই নন, পশ্চিম তীর থেকে আসা শত শত স্বেচ্ছাসেবীও লোদ শহরে লিকুদ পার্টির পক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার এই ভোটের তাৎপর্য তুলে ধরে মন্তব্য করেন যে এবারের দিনটি ইহুদি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অস্তিত্বের জন্য অত্যন্ত নির্ধারণী। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটের দিন সন্ধ্যা নাগাদ সামগ্রিক ভোট পড়ার হার রেকর্ড ভেঙে ৬৬ শতাংশের ঘর ছাড়িয়ে যায়। আর এই অভূতপূর্ব ভোটার উপস্থিতিই ডানপন্থি জোটের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।
More News Of This Category
© All rights reserved © dainikkhobor.com


