মনপুরা প্রতিনিধি ॥
ভোলার মনপুরায় উপজেলা প্রশাসন বিকল্প বাজার সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীদের জন্য ভিটি বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু করে। ওই ভিটি বরাদ্দের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করে উপজেলা সদর হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। সোমবার দুপুর ৩টায় উপজেলা পরিষদের ভবনের সামনে এই বিক্ষোভ-মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করে হাজিরহাট বাজারে তিন শতাধিকের ওপরে ব্যবসায়ীরা।
এই সময় হাজিরহাট বাজার ব্যবসায়ী নেতা মিজান পাটোয়ারী অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তব্যে জানান, উপজেলা প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে ৫০ বছরের পুরনো বাজার হাজিরহাট বাজার ভেঙ্গে নতুন বাজার করতে চায়। তারা টাকার লোভে এই কাজ করছে। উপজেলা প্রশাসন অবৈধ ভিটি বরাদ্দের কার্যক্রম বন্ধ না করলে আগামী দিন থেকে ব্যবসায়ীরা লাগাতার আন্দোলন করবে বলে হুশিয়ারি দেন।
আরেক ব্যবসায়ী নেতা নাসির উদ্দিন জানান, হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা ঋণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন টাকার লোভে উপজেলা পরিষদের কিছু জায়গায় ভিটি বরাদ্দের নামে লুটপাঠ চালিয়ে হাজিরহাট বাজার নষ্ট করতে চাচ্ছে। তিনি ওই ভিটি বরাদ্দ দেওয়া থেকে উপজেলা প্রশাসনকে সরে আসার আহবান জানান। পাশাপশি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।
জানা যায়, উপজেলা প্রশাসন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পাশে ও চতুর্থ শ্রেণি ক্লাবের পাশে শতাধিক ভিটি বরাদ্দের জন্য কার্যক্রম শুরু করে। মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পাশে প্রতিটি ভিটির জন্য ৫০ হাজার ও চতুর্থ শ্রেণি ক্লাবের পাশে প্রতিটি ভিটির জন্য এক লক্ষ টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে আবদন করার জন্য সার্কুলার জারি করে। মঙ্গলবার সকালে যাচাই-বাছাই শেষে লটারীর মাধ্যমে ভিটি বরাদ্দের দেয় উপজেলা প্রশাসন। পরে খবর পেয়ে হাজিরহাট ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করে।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার খান সালমান হাবিব জানান, হাজিরহাট বাজার থেকে দূরে উপজেলা পরিষদের জায়গায় একশত ব্যবসায়ীকে ভিটি বরাদ্দের কাজ শেষ পর্যায়ে। হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা তখন প্রতিবাদ করেনি। এখন করছে।
