চাঁদপুরে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপন ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যাচাইয়ে তিনটি স্থান পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বেপজার একটি প্রতিনিধিদল জেলার সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে ইপিজেড স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে। একই দিন সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ও হাইমচরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থানও পরিদর্শন করে তারা।
বেপজার নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান ভুইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল প্রকল্প দুটির সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ইপিজেডের সহকারী প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম, চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম এন জামিউল হিকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রত্যয় হাশেম, নারায়ণগঞ্জ আদমজী ইপিজেডের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিন, ঢাকা বেপজার সমন্বয় সেলের সহকারী পরিচালক তাজুল ইসলাম, সাভার ইপিজেড সহকারী উপপ্রকৌশলী এস এম সাইফুল ইসলাম, পটুয়াখালী ইপিজেড প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন ড্রাফটসম্যান মনিরুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে প্রকল্প বাস্তবায়নের উপযোগিতা ও স্থানগুলোর সম্ভাবনা যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চাঁদপুরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার এবং চাঁদপুরসহ আশপাশের জেলার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ও বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
বেপজার নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান ভুইয়া ও ইউএনও এস এম এন জামিউল হিকমা জানান, প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে একটি ইপিজেড ও সোলার প্রকল্প স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন। এই ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করা হলে এখানে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি ইপিজেডকে কেন্দ্র করে আশপাশের এলাকায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাত থেকে আট লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
বেপজার নির্বাহী পরিচালক আরও জানান, চাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে ইপিজেড স্থাপনের জন্য ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থা বেশ উপযোগী। এ অঞ্চলের সঙ্গে শরীয়তপুর ও লক্ষ্মীপুরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর সড়ক, নৌ ও রেলপথে যোগাযোগের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সুবিধা থাকায় এখানে ইপিজেড স্থাপন করা হলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্ট সংবাদ: ইপিজেড
১৭ আগস্ট ২০২২
