মা ইলিশ রক্ষায় ফেনী নদীতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। গতকাল সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে পাঁচ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা জাল প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হাছানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ফাতিমা সুলতানা, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) চয়ন বড়ুয়া, জেলা মৎস্য কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল হাসান, সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারজান হোসাইন ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার।
অভিযানকালে নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহকারী জেলে ও মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষা করা গেলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং দেশের এ মূল্যবান মৎস্যসম্পদের সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হাছান বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ সচেষ্ট রয়েছে। জেলে ও মৎস্যজীবীদের মধ্যেও এ বিষয়ে সচেতনতা বেড়েছে, যা ইতিবাচক।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাছলিমা আকতার জানান, মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল করতে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক সভা, মাইকিং, ব্যানার ও লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়েছে। অভিযানে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ, জেলে ও মৎস্যজীবীরা সহযোগিতা করেন।
উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ফেনী নদী ও এর মোহনায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয়, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
