দীপাবলির ছুটিতে বেড়াতে যেতে চান, অথচ উৎসবের আমেজও উপভোগ করতে চান? ভারতের এই ১০টি জায়গায় আলোর উৎসব পালিত হয় নিজস্ব রীতিতে। ঘুরে আসতে পারেন এই ঠিকানাগুলি থেকে।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:১৫
০১ / ১০
অযোধ্যা:সরযূ নদীর তীরে লক্ষ লক্ষ প্রদীপের আলো, রামায়ণকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং উৎসবের জাঁকজমক উপভোগ করতে ঘুরে আসুন রামচন্দ্রের জন্মভূমি অযোধ্যায়।
০২ / ১০
বারাণসী: গঙ্গার ঘাট, মন্দিরের শঙ্খধ্বনি এবং আলোর সাজে উৎসবের আবহ উপভোগ করুন বারাণসীতে। তবে দেব দীপাবলির জন্য এই শহর বিশেষ জনপ্রিয়।
০৩ / ১০
জয়পুর:দীপাবলিতে আলোকসজ্জায় ঝলমল করে ওঠে গোলাপি শহরের বাজার, ঐতিহাসিক বাড়ি ও রাস্তাঘাট। রাজস্থানি ঐতিহ্যের সঙ্গে উৎসবের মেলবন্ধন দেখতে ঘুরে আসুন জয়পুরে।
০৪ / ১০
অমৃতসর:দীপাবলিতে স্বর্ণমন্দিরের আলোকসজ্জা ও সরোবরের জলে তার প্রতিফলন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তৈরি করে। এই সময়ে পালিত হয় শিখদের 'ছোড় দিবস'ও।
০৫ / ১০
উদয়পুর: হ্রদ, আলোকসজ্জায় ঝলমলে প্রাসাদ, পুরনো শহরের সাজসজ্জা এবং রাজস্থানি আতিথেয়তা উপভোগ করতে দীপাবলিতে ঘুরে আসতে পারেন উদয়পুরে।
০৬ / ১০
গোয়া:সমুদ্রসৈকত, আলোর সাজ এবং নরক চতুর্দশীর উদ্যাপন—সব মিলিয়ে দীপাবলির সময়ে গোয়া হয়ে ওঠে আকর্ষণীয় ভ্রমণস্থল।
০৭ / ১০
মাইসুরু:দক্ষিণ ভারতের দীপাবলির রীতি, ঐতিহাসিক প্রাসাদের আলোকসজ্জা এবং স্থানীয় উৎসবের আবহ অনুভব করতে ঘুরে আসুন মাইসুরুতে।
০৮ / ১০
মথুরা ও বৃন্দাবন: মন্দিরের সাজসজ্জা, দীপদান এবং গোবর্ধন পুজোর আবহ উপভোগ করতে দীপাবলির ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন কৃষ্ণভক্তির দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র মথুরা ও বৃন্দাবনে।
০৯ / ১০
অহমেদাবাদ: গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী বাড়ির সাজ, রঙ্গোলি, প্রদীপের আলো এবং উৎসবের পরিবেশ দেখতে দীপাবলিতে বেড়িয়ে আসুন আহমেদাবাদে।
১০ / ১০
পুনে: মরাঠি সংস্কৃতি ও দীপাবলির নিজস্ব রীতিনীতি কাছ থেকে জানতে এবং উৎসবের আবহ উপভোগ করতে ঘুরে আসতে পারেন পুনে থেকে। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
পরবর্তী গ্যালারি
উৎসবের দিনে ঘুরতে বেড়িয়ে আচমকাই ঋতুস্রাব? অপ্রস্তুত হওয়ার আগেই ব্যাগে রাখুন এই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস!
শরীর তো পরিকল্পনা মাফিক চলে না! ধরা যাক, ঠাকুর দেখতে বেরোলেন এবং হঠাৎই ঋতুস্রাব! এমন সময় সর্বসমক্ষে অপ্রস্তুতে পড়াটাই স্বাভাবিক। কী ভাবে সামলাবেন নিজেকে? কী কী রাখবেন ব্যাগে?
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৩০
০১ / ১০
বিজয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের উৎসবের মরসুম। আর কিছুদিন পেরোলেই দীপাবলি। আরাধনা থেকে উদ্যাপন, দুর্গাপুজোর মতোই জৌলুসপূর্ণ সবটা। সেই মাফিক চলবে ঠাকুর দেখাও। কিন্তু শরীর তো পরিকল্পনা মাফিক চলে না! ধরা যাক, ঠাকুর দেখতে বেরোলেন এবং হঠাৎই ঋতুস্রাব! এমন সময় সর্বসমক্ষে অপ্রস্তুতে পড়াটাই স্বাভাবিক। শারীরিক সমস্যা তো আছেই, উপরন্তু দাগ লাগার চিন্তা, সব মিলিয়ে বাড়তে পারে অস্বস্তি।
০২ / ১০
এমন পরিস্থিতিতে কাজে আসতে পারে বিশেষ কিছু সামগ্রী, যা আগেভাগেই গুছিয়ে নেওয়া উচিত ব্যাগের কোণে।
০৩ / ১০
ঋতুস্রাবের দিন ঘনিয়ে আসছে বুঝতে পারলেই সতর্ক হন। ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে ব্যাগে রাখুন অরিতিক্ত প্যাড। সকালে বেরোলে কখন বাড়িমুখো হওয়া যাবে, তা পরিকল্পনা অনুযায়ী সফল হয় না, কাজেই হাতের কাছে রেখে দিতে পারেন অতিরিক্ত একটি অন্তর্বাসও।
০৪ / ১০
এ ক্ষেত্রে ‘পিরিয়ড প্যান্টি’ও বেশ কার্যকরী। দীর্ঘসময় বাইরে থাকতে হবে বা ‘হেভি ফ্লো’ (অরিতিক্ত রক্তপাত) -এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে, আজকাল চিকিৎসকেরা পিরিয়ড প্যান্টি ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
০৫ / ১০
টিস্যু এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার ভুলবেন না যেন। রাস্তার শৌচাগারে সর্বদা পরিষ্কার জল বা সাবান নাও থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে এগুলি। যত্রতত্র শৌচাগার ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে।
০৬ / ১০
ছোট্ট ডিসপোজাল ব্যাগও হতে পারে অসময়ের সঙ্গী। রাস্তায় বেরিয়ে হাতের নাগালে সবসময় বর্জ্রপাত্র পাওয়া না যাওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই প্রয়োজনে সাময়িকভাবে ব্যবহৃত প্যাড রাখার জন্য ছোট্ট, লিকপ্রুফ এই ব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে।
০৭ / ১০
বাইরে বেরিয়ে শরীর হাউড্রেটেড বা সতেজ রাখা প্রয়োজনীয়। বিশেষত ঋতুস্রাবের সময়ে। সেই কারণে অবশ্যই সঙ্গে রাখুন জলের বোতল।
০৮ / ১০
সঙ্গে থাকবে হালকা কিছু খাবার। রাস্তায় বেরিয়ে সময় দেখে খাবার খাওয়া হয়ে ওঠে না। অনেক সময় সেই কথা মাথা থেকেও বেরিয়ে যায়। ঋতুস্রাবের সময়ে শরীরকে অবহেলা করলে চলবে না মোটেও।
০৯ / ১০
তাই হালকা খাবার আর চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধও রাখতে পারেন সঙ্গে।
১০ / ১০
কিন্তু অস্বস্তি যদি খুব বেশি হয় এবং অস্বাভাবিকভাবে বেশি রক্তপাত হয়, সঙ্গে মাথা ঘোরা, বমি ভাব এবং শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা যায়, তা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
