এক্সপ্লেইনার
সর্বশেষ আপডেট:
স্টার অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর পেন্টাগন। ছবি: এএফপি
সম্ভাব্য বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধের কারণে বিদ্যুৎ, যোগাযোগ ও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও দেশটির সামরিক বাহিনী যেন দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে পেন্টাগন। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটিগুলোকে অন্তত ৯০ দিন বাইরের সহায়তা ছাড়াই কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
‘ফোর্ট্রেস আমেরিকা’ নামের এই উদ্যোগে সামরিক ঘাঁটিগুলোকে বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি ও যোগাযোগে স্বনির্ভর করার পাশাপাশি অস্ত্র, গোলাবারুদ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও চিকিৎসাসামগ্রীর কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার হামলা, নাশকতা ও সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নের মতো ঝুঁকি মোকাবিলাও এর লক্ষ্য।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। পেন্টাগনের পরিকল্পনাসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে ফক্স নিউজ ডিজিটাল এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। নিউজউইক ও ফরচুনও উদ্যোগটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে।
ফোর্ট্রেস আমেরিকা কী?
ফোর্ট্রেস আমেরিকা হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সরবরাহব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা শিল্প ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলার একটি সমন্বিত উদ্যোগ।
হেগসেথের স্মারকলিপিতে উদ্যোগটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একধরনের ‘বিমা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য, প্রচলিত সরবরাহব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলেও সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয় উপকরণ ও পরিষেবার জোগান নিশ্চিত করা।
পরিকল্পনাটি পাঁচটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এগুলো হলো জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা, সরবরাহব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো, কৌশলগত প্রতিরক্ষা মজুত গড়ে তোলা, সামরিক স্থাপনার সুরক্ষা ও সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং মহাকাশ ও যোগাযোগব্যবস্থার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
পেন্টাগনের লক্ষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো যেন বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না থাকে। কারণ, যুদ্ধের সময় বিদ্যুৎকেন্দ্র, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক বা পরিবহনব্যবস্থায় হামলা হলে সামরিক কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে।
কেন ৯০ দিনের প্রস্তুতি?
পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত প্রতিটি বড় সামরিক স্থাপনাকে অন্তত ৯০ দিন বাইরের সহায়তা ছাড়াই জরুরি কার্যক্রম চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
এ জন্য ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি ও যোগাযোগের বিকল্প ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বেসামরিক বিদ্যুৎ গ্রিড অচল হয়ে পড়লে সামরিক স্থাপনাগুলো যাতে নিজস্ব ব্যবস্থায় কার্যক্রম চালাতে পারে, তা নিশ্চিত করতে চায় পেন্টাগন।
ফক্স নিউজ ডিজিটালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ উদ্যোগের আওতায় বহনযোগ্য পারমাণবিক চুল্লি, বড় আকারের ব্যাটারি সংরক্ষণব্যবস্থা এবং বেসামরিক বিদ্যুৎ গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কাজ করতে সক্ষম ক্ষুদ্র বিদ্যুৎ গ্রিড স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল ফক্স নিউজ ডিজিটালকে বলেন, বিদ্যুৎ ছাড়া যোগাযোগ, পানি সরবরাহ, রসদ পরিবহন, উৎপাদনব্যবস্থা ও সামরিক কমান্ড পরিচালনা ব্যাহত হবে।
অর্থাৎ, যুদ্ধের সময় শুধু অস্ত্র ও সেনাসদস্য থাকলেই হবে না; তাদের কার্যক্রম সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও টিকিয়ে রাখতে হবে।
অস্ত্র, জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের মজুত
যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক সরবরাহপথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আবার সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা বেড়ে গেলে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রয়োজনীয় জোগান দিতে হিমশিম খেতে পারে।
এ ঝুঁকি মোকাবিলায় ফোর্ট্রেস আমেরিকার আওতায় গোলাবারুদ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ ও চিকিৎসাসামগ্রীর কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া, সামরিক বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের ক্ষেত্রে অন্তত দুটি নির্ভরযোগ্য সরবরাহ বা উৎপাদনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় পেন্টাগন। এতে কোনো একটি কারখানা বা সরবরাহকারী ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিকল্প উৎস থেকে প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।
যুদ্ধের সময় বেসামরিক কারখানাগুলোকে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এজন্য আগেভাগেই কারখানাগুলোর সক্ষমতা যাচাই, উৎপাদনের কারিগরি শর্ত নির্ধারণ, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চুক্তির ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে।
চীনকে ঘিরে উদ্বেগ কতটা?
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে বিদেশি সরবরাহের ওপর নির্ভরতা ফোর্ট্রেস আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।
নিউজউইকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে চীন থেকে আমদানি করা বিরল মৃত্তিকা ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রয়োজন হয়। ২০২৪ সালে চীন গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। সামরিক মানের ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম তৈরিতে এসব উপাদান ব্যবহৃত হয়।
২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সই করা একটি নির্বাহী আদেশেও সামরিক সরঞ্জামের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তর থেকে অথবা মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে বলে নিউজউইকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাই সরবরাহব্যবস্থায় বৈচিত্র্য আনা এবং একটি নির্দিষ্ট দেশ বা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমানোও এই উদ্যোগের অংশ।
তবে পেন্টাগন প্রকাশ্যে ফোর্ট্রেস আমেরিকাকে চীনের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে চিহ্নিত করেনি।
ফাইল ছবি: প্রতিকী
সাইবার হামলা ও অবকাঠামোয় নাশকতার আশঙ্কা
আধুনিক যুদ্ধে সামরিক ঘাঁটিতে সরাসরি হামলা ছাড়াও বিদ্যুৎ, পানি, পরিবহন ও যোগাযোগব্যবস্থায় সাইবার হামলা বা নাশকতার মাধ্যমে সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার ঝুঁকি রয়েছে।
ফরচুনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নিরাপত্তা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এবং এফবিআই এক যৌথ সতর্কবার্তায় চীন-সমর্থিত হ্যাকারদের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। ‘ভোল্ট টাইফুন’ নামে পরিচিত এই গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ, জ্বালানি, পরিবহন ও পানি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি নেটওয়ার্কে প্রবেশ করেছিল বলে সংস্থাগুলো জানিয়েছিল।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, ভবিষ্যৎ সংঘাতের সময় গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা ব্যাহত করার সক্ষমতা তৈরি করতেই এসব নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে।
ফোর্ট্রেস আমেরিকার আওতায় সামরিক যোগাযোগ, নেভিগেশন ও স্যাটেলাইট ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। জিপিএস সংকেত বাধাগ্রস্ত হলে বা মহাকাশভিত্তিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলেও যাতে সামরিক বাহিনী কার্যক্রম চালাতে পারে, সে প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে।
বাস্তবায়নে কত ব্যয় ও সময় লাগবে?
পরিকল্পনাটির মোট ব্যয় এবং পুরোপুরি বাস্তবায়নের সময়সীমা এখনো নির্ধারিত হয়নি।
ফরচুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে প্রায় ৫০০টি সামরিক ঘাঁটির প্রয়োজন মূল্যায়ন করছে প্রতিরক্ষা দপ্তর। উদ্যোগটির সব লক্ষ্য পূরণে কয়েক দশকও লেগে যেতে পারে। ব্যয় কয়েক হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে সাময়িকীটি জানিয়েছে।
হেগসেথের স্মারকলিপিতে ৩০ দিনের মধ্যে ফোর্ট্রেস আমেরিকার জন্য একটি পৃথক কর্মসূচি কার্যালয় গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কার্যালয়টি প্রতিরক্ষা দপ্তরের অধিগ্রহণ ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারির অধীনে কাজ করবে।
পরিকল্পনাটির কিছু অংশের কাজ আগে থেকেই চলছিল। তবে সব সামরিক স্থাপনাকে ৯০ দিনের স্বনির্ভরতার মানদণ্ডে নিয়ে আসা একটি বড় ও দীর্ঘমেয়াদি কাজ।
যুক্তরাজ্যও কেন নাগরিকদের প্রস্তুত থাকতে বলছে?
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতির পাশাপাশি যুক্তরাজ্য সরকারও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নাগরিকদের প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
ফরচুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২২ অক্টোবর যুক্তরাজ্য সরকার ‘বি রেডি’ নামে একটি প্রচারাভিযান শুরু করে। এতে বিদ্যুৎ, পানি বা অন্যান্য জরুরি পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলে অন্তত তিন দিন চলার মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী ঘরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য প্রতিদিন তিন লিটার পানীয় জল রাখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি রান্না বা ফ্রিজে সংরক্ষণ ছাড়াই খাওয়া যায় এমন খাবার, টর্চ, পাওয়ার ব্যাংক, প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং ব্যাটারিচালিত বা হাত দিয়ে চার্জ করা যায় এমন রেডিও রাখার পরামর্শ রয়েছে। পোষা প্রাণীর খাবার ও পানির ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে। কার্ডে লেনদেন বা এটিএম বন্ধ হয়ে গেলে কাজে লাগতে পারে বলে নগদ অর্থ রাখার কথাও বলা হয়েছে।
তবে যুক্তরাজ্য সরকারের এই কর্মসূচিকে আসন্ন যুদ্ধের নিশ্চিত সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এটি তীব্র আবহাওয়া ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নাগরিকদের প্রস্তুত করার তিন বছর মেয়াদি প্রচারাভিযানের প্রথম ধাপ।
ইউরোপীয় কমিশনও ২০২৫ সালের মার্চে নাগরিকদের অন্তত ৭২ ঘণ্টার জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়ে নির্দেশনা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল।
‘ডুমস ডে’র প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন?
‘ডুমস ডে’ বলতে সাধারণত পৃথিবীতে বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে এমন চরম পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়। ফোর্ট্রেস আমেরিকার লক্ষ্য হলো, বড় যুদ্ধ বা দীর্ঘস্থায়ী সংকটের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম যেন বিদ্যুৎ, পানি, যোগাযোগ ও সরবরাহব্যবস্থার বিপর্যয়ে থেমে না যায়।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় নাশকতার আশঙ্কা, সাইবার হামলা এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা পশ্চিমা দেশগুলোর নিরাপত্তা পরিকল্পনায় নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। এসব অভিজ্ঞতার আলোকে সামরিক ঘাঁটি ও জরুরি পরিষেবাগুলোকে দীর্ঘ সময় সচল রাখার সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনা থেকে আসন্ন বিশ্বযুদ্ধ বা নির্দিষ্ট কোনো যুদ্ধের সময় ঘনিয়ে এসেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর ভিত্তি নেই। পেন্টাগনও কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধ আসন্ন বলে ঘোষণা করেনি।
ফোর্ট্রেস আমেরিকার মূল বার্তা হলো, ভবিষ্যতের সংঘাতে সামরিক শক্তি শুধু অস্ত্র, সেনা ও যুদ্ধবিমানের ওপর নির্ভর করবে না। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, যোগাযোগ, উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখার সক্ষমতাও যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
