উপকরণ :
ফুলকপি : ১ টি
বেগুন: ১ টি
মিষ্টি কুমড়: ৫০০ গ্রাম
পেঁপে: ১ টি
ঝিঙে: ১ টি
মুলো: ২০০ গ্রাম
সিম: ২০০ গ্রাম
পটল: ৭-৮ টা
বরবটি: ২৫০ গ্রাম
কাঁচকলা: ২ টি
আলু:২ টি
রাঙা আলু: ১ টি
সর্ষের তেল:২০০ মিলিলিটার
শুকনো লঙ্কা: ৪ টি
পাঁচফোড়ন:১ টেবিল চামচ
তেজপাতা: ৩ টি
থোড়: ১০০ গ্রাম
আদা বাটা: ২ চা চামচ
লঙ্কা বাটা: স্বাদ অনুযায়ী
নুন: পরিমাণমত
কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো: ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো: ১ চা চামচ
নারকেলের দুধ: ১ কাপ
নারকেল কোড়া: ১ মালা
প্রণালী : প্রথমে সব সবজিগুলো সঠিক মাপে কেটে নিন। এরপর কড়াই গরম করে এর মধ্যে দিয়ে দিন সর্ষের তেল। বেগুন এবং কাঁচকলা ভাল করে লাল করে ভেজে নিয়ে দিয়ে দিন ফোঁড়ন। শুকনো লঙ্কা, পাঁচফোড়ন এবং তেজপাতা ফোড়ন দিয়ে ভাল করে দু মিনিট ভেজে নিন।
ফোঁড়ন ভাজা হয়ে গেলে আলু এবং রাঙা আলু ভেজে নিন। এরপর আগে থেকে হলুদ জলে ভিজিয়ে রাখা থোরগুলো দিয়ে দিন। ভাল করে ভেজে নিয়ে দিয়ে দিন লঙ্কা বাটা এবং আদা বাটা। মাঝারি আঁচে তিন-চার মিনিট ভাল করে নাড়িয়ে রান্না করে নিন। এরপর দিয়ে দিন পটল, ফুলকপি, কুমড়ো, পেঁপে। আট - নয় মিনিট একটি কড়াইয়ে একটি পাত্র চাপা দিয়ে ভাল করে রান্না করে নিন। এরপর দিয়ে দিন বরবটি, শিম, মুলো। এরপর রান্নায় দিয়ে দিন পরিমাণমত নুন, হলুদ গুঁড়ো এবং কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো। সবকিছু ভাল করে মিশিয়ে আবারও একটি পাত্র চাপা দিয়ে রেখে দিন সাত - আট মিনিট। এর পর দিয়ে দিন নারকেলের দুধ এবং নারকেল কোড়া। সবকিছু ভাল করে মিশিয়ে দিয়ে দিন আগে থেকে ভেজে রাখা বেগুন এবং কাঁচকলা। ভাল করে সবকিছু নাড়িয়ে নিয়ে একটি পাত্র চাপা দিয়ে রেখে দিন পাঁচ - ছয় মিনিট। এরপর ঢাকনা খুলে ভাজা মশলা এবং ঘি দিয়ে ভাল করে নাড়িয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। তাহলেই তৈরি পুজোর ভোগের লাবড়া। সাধারণত লাবড়ায় ঢ্যাঁড়স দেওয়া হয় না। ঢ্যাঁড়স সহজে গলে যায়। আর নেই চিন্তা সহজেই তৈরি হয়ে যাবে পুজোর ভোগের লাবড়া।
এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।
