ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ২৭ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ৩০ অক্টোবর বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। এ সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার নন, এমন ব্যক্তিরা নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
রোববার (২৫ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা ও ভোটাররা এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবেন। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। আসনটির আওতায় রয়েছে ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী এলাকা।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, ভোটাররা যাতে কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা হবে এবং অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ও মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ এবং জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন, কাদেমুল ইসলাম, আবদুল আলীম নিজামী ও হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক। পরে ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বিএনপির জেলা সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ফলে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মির্জা ফয়সল আমীন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। সদর, রুহিয়া ও নবগঠিত ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে রয়েছে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা।
এমএ
