ব্যস্ত রাস্তায় তরুণীকে অশালীন স্পর্শ করলেন এক তরুণ। তরুণীকে তুলে নিয়ে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টাও করলেন তিনি! তরুণীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলেন স্থানীয়েরা। দু’ঘা দিয়ে তরুণকে তুলে দিলেন পুলিশের হাতে। চাঞ্চল্যকর সেই ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের পুণের সুখসাগর নগরে ঘটেছে। তরুণীর বয়স ১৮। পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণী তাঁর বন্ধুর জন্য রাস্তায় ধারে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় ৩০ বছর বয়সি তরুণ এসে তাঁকে খারাপ ভাবে ছুঁতে শুরু করেন। এই ঘটনায় তরুণী ভয় পেয়ে যান। এর পর তরুণীকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই তরুণ। তরুণী চিৎকার করে উঠলে আশপাশ থেকে স্থানীয়েরা তাঁকে বাঁচাতে ছুটে আসেন। স্থানীয়েরা তরুণকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগে উত্তম-মধ্যম দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তরুণ পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।
ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, রাস্তায় লোকের আনাগোনা। ছুটে চলেছে বাইক, সাইকেল। রাস্তার ধারে লাল রঙের টিশার্ট পরে পায়চারি করছেন এক তরুণী। কাউকে ফোন করছেন তিনি। এক তরুণ এগিয়ে এসে তরুণীর কোমরে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু পারলেন না। তরুণের মতলব বুঝতেও পারলেন না তরুণী। তিনি সেখানেই দাঁড়িয়ে মোবাইল দেখে চললেন। তরুণীর থেকে খানিক দূরে দাঁড়িয়ে রইলেন তাঁকে স্পর্শ করতে চাওয়া তরুণ। বেশ কিছু ক্ষণ ধরে তরুণীকে মাথা থেকে পা পর্যন্ত দেখে চললেন। এর পর রাস্তার লোকজনের তোয়াক্কা না করে তরুণীর দিকে এগিয়ে গেলেন তরুণ। তরুণী এ বার তরুণের মতলব টের পেলেন। তিনি সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলেন। তরুণ এগিয়ে গিয়ে আবার তাঁকে স্পর্শ করলেন। তার পর তরুণীর পরনে থাকা জামা ধরে টান দিয়ে তাঁকে কোলে তোলার চেষ্টা করলেন। তরুণী রাস্তায় পড়ে গেলেন। তরুণও তাঁর উপর পড়ে গেলেন। এমন সময় আশপাশ থেকে লোকজন ছুটে এলেন। এক তরুণী রাস্তা থেকে নিগৃহীতাকে সরিয়ে নিয়ে গেলেন। বাকিরা তরুণকে জেরা করতে শুরু করলেন। ভিডিয়োটি এখানেই শেষ হয়ে যায়।
‘ক্রোধিঁলো৮’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি ভাইরালও হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রচুর নেটাগরিকের নজর কেড়েছে ভিডিয়োটি। প্রতিক্রিয়া এবং মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘মেয়েদের রাস্তায় বেরোনোই এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।’’ অপর এক নেটাগরিক মন্তব্য করেছেন, ‘‘এই পুণেকে আমি চিনি না।’’
