মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ এএম
হাসপাতালে নিহত আব্দুল্লাহ শেখের পরিবারের আহাজারি।ছবি: খবরের কাগজ
-->মাগুরার বেলনগর এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আব্দুল্লাহ শেখ (২৫) নামের যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. মিজানুর রহমান (৪০) নামে অপর এক মোটরসাইকেল আরোহী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাগুরা সদর উপজেলার ৩ নম্বর কুচুন্দী ইউনিয়নের বেলনগর হাঁস খামারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল্লাহ শেখ বেলনগর গ্রামের বাকি শেখের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। আহত মিজানুর রহমান কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত।
আরও পড়ুন
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আব্দুল্লাহ শেখ মোটরসাইকেল নিয়ে মধুখালী বাজার থেকে নিজের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। অন্যদিকে মিজানুর রহমান মোটরসাইকেলে করে মাগুরা থেকে ওয়াপদা বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। বেলনগর হাঁস খামারের সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেল দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ শেখকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মিজানুর রহমানকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর পাঠানো হয়েছে। নিহত আব্দুল্লাহর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রামনগর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছে। নিহতের মরদেহ মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কাসেমুর রহমান/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৭ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গভীর সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৩টায় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে।
আরও পড়ুন
ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৮ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৮ অক্টোবর ভারতের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে। সাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকতে পারে। তাই জেলেদের আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হবে।
তারেকুর রহমান/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
টুপটুপ রিসোর্টে আগুন: নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, স্কুলশিক্ষিকা নিখোঁজ
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তা। ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রেস্তোরাঁ অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তবে অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজ থাকা স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমকে অবহিত করবে।
নিহতদের মধ্যে ছিলেন এক পরিবারের চার সদস্য- ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।
আরও পড়ুন
অন্য পরিবারে ছিলেন ছয় সদস্য- মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তার কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫) ও ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।
অগ্নিকাণ্ডের পর ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন ১১ জন। ফলে একজনের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কোনো মরদেহের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল, তাদের ডিএনএ স্যাম্পলে মিল পাওয়া গেছে। একজনের ডিএনএ মিল পাওয়া যায়নি।’
মুক্তা সাভারের আশুলিয়ায় স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে তিনি কক্সবাজারে এসেছিলেন।
এদিকে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় জামিনযোগ্য ধারায় মামলা নথিভুক্ত করায় উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদারকে তলব করেছেন আদালত।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) সশরীরে হাজির হয়ে মামলায় গুরুতর অপরাধের ধারা যুক্ত না করার কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে তাকে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনি ও বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না কেন, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছেন আদালত।
সোমবার বিকেলে উখিয়ার আমলি আদালতের বিচারক ও কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ এ আদেশ দেন।
তারেকুর রহমান/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫, আহত ৮
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১২ এএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী ও শিশুসহ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৮ জন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে উপজেলার বড় কুমিরা এলাকায় কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
পুলিশ জানায়, বাসটি চট্টগ্রাম থেকে নেত্রকোনার উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে বাসটি মহাসড়কের পাশে থামানো হয়। এ সময় বাসের যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে অবস্থান করছিলেন। তখন দ্রুতগতির একটি লরি তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও দুজন মারা যান।
নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার ছয় বছর বয়সী শিশু ইব্রাহিম ও স্বপ্না নামের এক নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে একজন শিশু, তিনজন নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ফাতেমা (৪০) ও তার আট বছর বয়সী ছেলে রাকিবের নাম জানা গেছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোনার মদন উপজেলার শিবাশ্রম এলাকায়। দুর্ঘটনায় আহত আটজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ফায়ার সার্ভিসের কুমিরা স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বাসটি মেরামতের সময় যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ঢাকামুখী একটি লরি তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।’
বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ইনচার্জ সার্জেন্ট শামীম আলম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাতে মহাসড়কে পুলিশের ভ্রাম্যমাণ দল টহলে ছিল। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’
মুসলেহ উদ্দীন/সালমান/
আরও পড়ুন
শেরপুরে বসতঘরে বৃদ্ধের দাফন
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শেরপুরের শ্রীবরদীতে দাফন করার মতো নিজস্ব জমি না থাকায় আব্দুল করিম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ বসতঘরেই দাফন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) উপজেলার তাতিহাটী ইউনিয়নের শালমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই বৃদ্ধের নাম আব্দুল করিম। শালমারা এলাকায় পারিবারিক কবরস্থান ছাড়া কোনো গণকবরস্থান নেই। যার কারণে যেসব পরিবারের পারিবারিক কবরস্থান নেই তারা ব্যাপক বিড়ম্বনায় পড়েছেন। কেউ কেউ বাড়ির আঙিনায়, বসতবাড়ির সামনে, বসতঘরের পাশে মরদেহ দাফন করে থাকেন। আব্দুল করিমের বসতঘরের জায়গা ছাড়া আর কোনো জমি না থাকায় বসতঘরেই তাকে দাফন করা হয়। এরপর থেকেই এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
আরও পড়ুন
শালমারা গ্রামের মাসুদ মিয়া বলেন, ‘আমরা এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজকে শালমারা গ্রামে একটি গণকবরস্থানের দাবি দীর্ঘদিন থেকে করে আসছি। কেউ এগিয়ে না আসায় আব্দুল করিমকে তার ঘরেই দাফন করা হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও লজ্জার।’
বৃদ্ধের মেয়ে রিক্তা পারভীন জানান, বসতঘরের জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাবাকে ঘরেই দাফন করেছে। তবে আর কোনো স্বজনকে বা এলাকার অন্য কাউকে যাতে ঘরে দাফন করতে না হয়, এজন্য এলাকায় একটি গণকবরস্থান হওয়া দরকার।
তাতীহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ বলেন, ‘শালামারা এলাকায় কোনো গণকবরস্থান নেই। বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। মঙ্গলবার নিহতের পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে পাশেই ষাইটকাকড়া গণকবরস্থানে দাফন করা হবে।’
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মরদেহটি মঙ্গলবার স্থানান্তর করার প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘সমাজে একজন মানুষ মারা যাবে, তাকে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হবে না এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি জানার পরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে দ্রুত নির্দেশ দিয়েছি। মঙ্গলবার পাশে যে কবরস্থান আছে, সেখানে তাকে দাফন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সত্যি আমি মর্মাহত। খবরটি জানার পরপরই শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্যকে অবগত করেছি।’
শাকিল মুরাদ/তামান্না রুপা/
