

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ আগুন লাগে।
জানা গেছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুরোনো ভবনের দোতলায় ডিকাব লাউঞ্জের বইপুস্তকে আগুন লাগে।
পরে সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়।
শিল্পকলা একাডেমির গেটে ককটেল বি'স্ফোরণ, মূলহোতা গ্রেফতার
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ২ নম্বর গেটের পূর্ব পাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবুল হায়াদ দীপু (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা মডেল থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির স্পেশাল টিমের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। রমনা মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে রমনা মডেল থানাধীন সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ২ নম্বর গেটের পূর্ব পাশের রাস্তায় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আবুল হায়াদ দীপুকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দেশে ৯ মাসে মা'দ্রাসায় ধ'র্ষণের শি'কার ১৬১ শি'শু
নৈতিক শিক্ষা ও নিরাপদ পরিবেশের প্রত্যাশায় সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠান অনেক অভিভাবক। অথচ সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ছেলে শিশুদের যৌন নিপীড়ন ও বলাৎকারের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস মেকার্স বাংলাদেশ ফ্রান্সের (জেএমবিএফ) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় ৭২টি ঘটনায় অন্তত ১০৯ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অভিযোগের পর মামলা হলেও অধিকাংশ ঘটনায় বিচার নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ছেলে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে চিকিৎসা পরীক্ষা, নমুনা সংগ্রহ ও ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকায় বিচারপ্রক্রিয়ায় বড় ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এরই একটি উদাহরণ রাজধানীর বনশ্রীর একটি মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আবদুল্লাহর মৃত্যু। গত মে মাসে মাদ্রাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তার মা মামলা করেন। একই মাদ্রাসার এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হলেও প্রায় সাত মাস পরও মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। জেএমবিএফের পর্যবেক্ষণ বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ছেলে শিশুদের ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অন্তত ১৩১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব ঘটনায় মোট ভুক্তভোগী ১৭১ জন। তাদের মধ্যে ১৬১ জন ধর্ষণের এবং ১০ জন ধর্ষণচেষ্টার শিকার। নথিভুক্ত ঘটনাগুলোর বড় অংশই ঘটেছে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, ছেলে শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হলে তার শারীরিক পরীক্ষা, নমুনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং ফরেনসিক পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের জন্য আলাদা কোনো সুনির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) বা নির্দেশনা নেই। ফলে মেডিকেল ও ডিএনএ পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ যথাযথভাবে সংগ্রহ ও আদালতে উপস্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাঁর মতে, অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পথে এটি বড় আইনি বাধা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সামাজিক সংকোচ ও লোকলজ্জা। ছেলে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের অনেক ঘটনাই পরিবার প্রকাশ করতে চায় না। ফলে বহু শিশু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। অধিকারকর্মীদের মতে, সংকট মোকাবিলায় শুধু অপরাধের পর শাস্তির ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরেই শক্তিশালী প্রতিরোধ ও অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম বলেন, মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের 'গুড টাচ' ও 'ব্যাড টাচ' সম্পর্কে বয়সোপযোগী ধারণা দিতে হবে। শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে সচেতন করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পেশাদার কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা রাখার তাগিদ দেন তিনি, যাতে কোনো শিশু ভয় বা সংকোচ ছাড়াই নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে পারে।

আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যে এইচআরএসএসের নিন্দা
‘সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারও করবো’— পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) এমন বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করছে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)। সংস্থাটি বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনাকে সরকারি অনুমোদনের সঙ্গে যুক্ত করা আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের জন্য গুরুতর উদ্বেগজনক। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব; তবে তা অবশ্যই আইনসম্মত প্রক্রিয়া, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিচার বিভাগের কর্তৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে করতে হবে। কোনও ব্যক্তি অপরাধে অভিযুক্ত হলেই তার জীবন ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার খর্ব করা যায় না। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভ এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে। একইভাবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনও জীবনের অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার নিশ্চয়তা দেয়। তাই ‘ক্রসফায়ার’ কোনোভাবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার বিকল্প হতে পারে না। এইচআরএসএস সরকারের কাছে আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে স্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন ব্যাখ্যা দাবি করছে। সরকার কি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদনযোগ্য মনে করে, নাকি এটি আইজিপির ব্যক্তিগত বক্তব্য— তা অবিলম্বে পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে বিরত রাখার বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার প্রত্যাশা করছে এইচআরএসএস। এইচআরএসএস মনে করে, অপরাধ দমনে রাষ্ট্রের শক্তি প্রয়োগের বৈধতা নির্ভর করে আইনের প্রতি আনুগত্যের ওপর, বিচারবহির্ভূত পদ্ধতির ওপর নয়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে অপরাধীর বিচার আদালতেই হতে হবে— রাষ্ট্রীয় অনুমোদনেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনও সুযোগ থাকতে পারে না।

খাদ্য সংরক্ষণে ‘পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা’ কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণ উপকৃত হতে পারেন। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়নে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় খাদ্যমন্ত্রী হাইকমিশনারকে সচিবালয়ে স্বাগত জানান। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল খাদ্যশস্য আমদানি, দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য সংরক্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও যোগাযোগসহ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন দিক। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। চাল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছিল এবং এর মানও সন্তোষজনক ছিল। এ সময় তিনি পাকিস্তানের বাসমতী চালের প্রশংসা করেন।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ১৫-২১ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং নগরবাসীর সমস্যা সরাসরি শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে এক বিশেষ নাগরিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজপথ কোনোভাবেই দখল হতে দেওয়া হবে না এবং নাগরিক সেবায় অবহেলা করলে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ সোমবার সকালে কলাবাগান গ্রীন রোড স্টাফ কোয়ার্টার মিলনায়তনে ধানমন্ডি, কলাবাগান, নিউমার্কেট, রমনা ও শাহবাগ এলাকার (ওয়ার্ড নম্বর ১৫ থেকে ২১) নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ডিএসসিসি প্রশাসকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। সভায় আগত ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকাভিত্তিক নানা ভোগান্তি—বিশেষ করে জলাবদ্ধতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক বাতির অপ্রতুলতা এবং জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবায় জটিলতার কথা তুলে ধরেন। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম গভীর ধৈর্যের সঙ্গে প্রতিটি অভিযোগ ও পরামর্শ শোনেন এবং মঞ্চে উপস্থিত সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করে দ্রুত সমাধানের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। সভাপতির দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “ঢাকা দক্ষিণের প্রধান সমস্যাগুলোর অন্যতম জলাবদ্ধতা, যা আমরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে থেকেই বিদ্যমান। এই জটিলতা নিরসনে আমরা নিরলস কাজ করছি। নিউমার্কেটসহ আশেপাশের এলাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে অবৈধ হকার উচ্ছেদে দ্রুত বিশেষ কর্মসূচি চালু করা হবে। রাজপথে কাউকে বসতে দেওয়া হবে না। তবে যারা শৃঙ্খলা মেনে চলবেন, তাদের জন্য মতিঝিলের মতো নৈশকালীন মার্কেটের আদলে বিকল্প ব্যবস্থাপনার সুযোগ দেওয়া হবে।” নাগরিক সেবায় সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পূর্ণ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে প্রশাসক আরও বলেন, “নাগরিকদের সেবা পাওয়া মৌলিক অধিকার। সিটি কর্পোরেশনের যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তা বা কর্মচারী দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে বা নাগরিক চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হলে সরাসরি জানান, আমরা অনতিবিলম্বে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেব।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সিটি কর্পোরেশনের এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অর্থ লুটপাট ও বিগত সময়ের অপব্যবহারের ক্ষতি কাটিয়ে উঠে সিটি কর্পোরেশনের একটি স্বস্তিদায়ক ও আধুনিক নগর গঠনে সব স্তরের নাগরিকের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। নাগরিকদের সঙ্গে কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি কথা বলে সমস্যা সমাধান ও তাৎক্ষণিক জবাবদিহিতামূলক এমন প্রশংসনীয় আয়োজনের জন্য উপস্থিত নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালামের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খয়বর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মোঃ মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


