‘ক্ষমতায় না গিয়েই যারা ভিন্নমতের মানুষের জানাজা-দাফনে বাধা দিচ্ছে, কখনো ক্ষমতায় গেলে তারা আরও বর্বর হবে’ এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, সবার নৈতিক দায়িত্ব জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করা।
সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি। পোস্টে তিনি লেখেন, জামায়াত-এনসিপির আদর্শিক নেতা শহীদ ওসমান হাদি বলে গেছেন, আমরা আমাদের শত্রুর সঙ্গেও ইনসাফ চাই! আসলে সেই ইনসাফ কি মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়া?
তিনি আরও লেখেন, জামায়াতের প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণে মানিক পশারীর জানাজা হতে দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। এমনকি মোবাইলের আলোতে দুই মেয়ে ও এক বোন মিলে কবর খুঁড়ে দাফন সম্পন্ন করেছেন। এই হলো জামায়াত-শিবিরের বর্বরতা। ক্ষমতায় না গিয়েই যারা ভিন্নমতের মানুষের জানাজা-দাফনে বাধা দিচ্ছে, কখনো ক্ষমতায় গেলে তারা আরও বর্বর হবে। তাই সবার নৈতিক দায়িত্ব জামায়াত-শিবিরের থাবা থেকে দেশকে রক্ষা করা।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, জামায়াতের প্রক্সি সংগঠন এনসিপির ৮০ শতাংশ নেতাকর্মী যেহেতু জামায়াত-শিবিরের সাবেক নেতাকর্মী; সুতরাং নতুন এই প্রক্সি দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী জামায়াত-শিবিরের মতো বর্বর। এই দলটির জন্মই হয়েছে জামায়াত-শিবির কোনো বিপদে পড়লে উদ্ধারকারী জাহাজ হাজির হয়ে তাদের রক্ষা করার জন্য। প্রতিনিয়ত তারা সেটিই করে যাচ্ছে।
পোস্টে তিনি লেখেন, আগামীতে জামায়াতের কাছ থেকে আসন ছাড় পাওয়ার জন্য এনসিপি নেতাদের মধ্যে জামায়াতি বর্বরতাকে তোষামোদ করার এক ধরনের প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যাচ্ছে।
নতুন বন্দোবস্তের নামে এনসিপি বর্তমানে জামায়াতি বর্বরতাকে বৈধতা দেওয়ার রাজনীতি করছে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, এটাই কি তরুণদের কাছ থেকে মানুষ প্রত্যাশা করেছিল? অবশ্য ছাগল চোর, ল্যাপটপ চোর, নারী ও আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জর্জরিতদের কাছ থেকে এর চেয়ে আর বেশি কিছু কীভাবেই বা প্রত্যাশা করা যায়!
