চট্টগ্রামের চন্দনাইশে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসআরবি-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) এসআরবি-৭-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ অক্টোবর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ইউনিয়নের কানাই মাদারি গ্রামের ঘাটকুল পাড়ায় অভিযান চালাতে যায় এসআরবির একটি দল। সেখানে ২০টির বেশি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মো. আলমগীরের অবস্থানের তথ্য ছিল বাহিনীর কাছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসআরবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে আলমগীর চিৎকার করে তাঁর ৪০ থেকে ৫০ জন অনুসারীকে জড়ো করেন। পরে তাঁরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসআরবি সদস্যদের ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে হামলাকারীরা আরও মারমুখী হয়ে উঠলে নিজেদের জানমাল ও সরকারি অস্ত্র-গোলাবারুদ রক্ষায় এসআরবি সদস্যরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। হামলায় বাহিনীর চার থেকে পাঁচজন সদস্য আহত হন।
ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মেহেদী হাসান সিফাত (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (২৮) ও আজিজুর রহমান সবুজ (২১)। তাঁদের সবার বাড়ি চন্দনাইশের কানাই মাদারি নিদাগের পাড়ায়।
পরে ২৫ অক্টোবর রাত ১টা ২০ মিনিটে এসআরবি-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে উত্তর কানাই মাদারী এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন মঞ্জুর ইসলাম (৩৯) ও মো. নবাব শরীফ ওরফে নবাব মিয়া (৩৪)। তাঁদের বাড়িও চন্দনাইশের উত্তর কানাই মাদারী এলাকায়।
এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁদের চন্দনাইশ থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার করা দুটি দেশীয় অস্ত্রও জব্দ করা হয়েছে।
