তাঁর বাড়ির সামনে বসে একদল যুবক গাঁজা খাচ্ছিলেন। প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর করা হল গৃহকর্তাকে। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন স্ত্রী এবং পরিবারের আরও দুই সদস্য। ভোজালির কোপে গুরুতর জখম হলেন চার জন। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থানার জালাবেড়িয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে খবর, যে যুবকেরা নেশা করে হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ, তাঁরা সেখানকারই বাসিন্দা। সোমবার সকালে ভিক্টর নামে এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে বসে চার-পাঁচজন গাঁজায় টান দিচ্ছিলেন। সেটা দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ করেন ভিক্টর। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে উঠে যেতে বলেন। অভিযোগ, তখনই ওই যুবকেরা মারধর শুরু করেন। একজন ভোজালি নিয়ে চড়াও হন।
বাড়ির কর্তাকে আক্রান্ত হতে দেখে তাঁকে বাঁচাতে ছুটে যান স্ত্রী। কিন্তু তাঁকেও ভোজালির কোপ মারা হয় বলে অভিযোগ। তার পর একে একে ভিক্টরের দুই কাকা ভোজালির কোপে জখম হন। তাঁদের উদ্ধার করে কুলতলি ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ভিক্টর ও তাঁর এক কাকার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী মাধবী মহালদার বলেন, ‘‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তাঁরা নেশামুক্ত সমাজ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। অথচ নেশার প্রতিবাদ করতে গিয়ে এ ভাবে আক্রান্ত হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে একজনকে আটক করেছে কুলতলি থানার পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।’’
