মাদ্রাজ হাই কোর্ট আগাম জামিন খারিজ করেছিল আগেই, এবার দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন তামিলনাড়ুর প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। বেসরকারি স্কুলগুলিকে অনুমোদনে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ছিল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা ডিএমকে নেতা অনবিল মহেশ পৈয়ামোঝির বিরুদ্ধে। সোমবার তাঁকে নিজের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে চেন্নাই পুলিশের সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (সিসিবি)।
স্ট্যালিন সরকারের জমানায় ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্কুল শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন মহেশ। অভিযোগ, এই সময়কালে এক হাজারের বেশি বেসরকারি স্কুলকে অনুমোদনের বিনিময়ে দলীয় তহবিলে অর্থ সংগ্রহ করেছেন তিনি। চেন্নাই পুলিশের পাশাপাশি প্রাক্তন ওই শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। গত ১৬ সেপ্টেম্বর চেন্নাই পুলিশের সিসিবি-র তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়। অবৈধ আর্থিক লেনদেন, অর্থ পাচার এবং তহবিল তছরুপ-সহ একাধিক ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করছে ইডি।
বেসরকারি স্কুল সমিতির তরফে প্রাক্তন ওই শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। মামলার তদন্তে নেমে গত জুন মাসে, দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তল্লাশি চলে মন্ত্রীর বাড়িতেও।
তামিলনাড়ুতে ডিএমকে সরকারের পতনের পর বেসরকারি স্কুল সমিতির তরফে প্রাক্তন ওই শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। মামলার তদন্তে নেমে গত জুন মাসে, দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তল্লাশি চলে মন্ত্রীর বাড়িতেও। সেখান থেকে তাঁর সম্পত্তির দলিলপত্র, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, ১৮টি মোবাইল, ল্যাপটপ ও মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মহেশ। এমনকী তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে দলও।
প্রাক্তন মন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। টিভিকের বিরুদ্ধে ভাষণ দেওয়ার জন্যই তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, আনুমানিক ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজ্য সরকারের নতুন সচিবালয়-গণপরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনার সমালোচনা করেছিলেন মহেশ।
