![]()
মহিউদ্দিন আলমগীর
![]()
আরাফাত রহমান
ছবি: প্রবীর দাশ/স্টার
শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন পাঁচটি বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নেতারা। কিন্তু শিক্ষার্থীদের মারধর, শিক্ষকদের হেনস্তা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজে হস্তক্ষেপ এবং বিভাজন তৈরি করে, এমন নানা উদ্যোগের কারণে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন তারা।
সর্বশেষ বিতর্কটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। দুর্গাপূজার সময় গরু জবাই করে ‘গরুভোজ’ আয়োজনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নেতারা।
ক্যাম্পাসের মন্দিরের কাছে আগে একটি ভোজের আয়োজন করা হলে হিন্দু শিক্ষার্থীরা তাতে আপত্তি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পশু জবাইয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই নতুন করে ওই আয়োজন করা হয়।
এসব ঘটনা প্রশ্ন তুলেছে, নির্বাচিত ছাত্রনেতারা শিক্ষার্থীদের জরুরি সমস্যাগুলো সমাধানে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন কি না। আবাসনসংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, যাতায়াত, চিকিৎসাসেবা, নিরাপত্তা ও শিক্ষার অধিকার, এসব বিষয় শিক্ষার্থীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ছাত্র সংসদগুলোর এসব ব্যাপারে তেমন উদ্যোগ না থাকা নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মোহাম্মদ মুশতাক হুসাইন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘ছাত্র সংসদের মূল কাজ শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করা। এ ধরনের বিতর্কে জড়িয়ে পড়া ছাত্র আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) রাগিব আহসান মুন্না বলেন, ছাত্র সংসদগুলো তাদের মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরে গেছে।
তিনি বলেন, ‘তারা নিজেদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। নিজেদের স্বার্থে ছাত্র সংসদকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক আ-আল মামুন বলেন, নির্বাচিত ছাত্র সংসদ ফিরে আসা ইতিবাচক ঘটনা। তবে তাদের প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি।
তিনি বলেন, ‘আবাসন, খাবার ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমস্যা সমাধানে তারা তেমন কিছুই করেনি।’
দীর্ঘ ছয় বছর পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসু নির্বাচন হয়। তিন দশকের বেশি সময় পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর চলতি বছর প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
পাঁচটি ছাত্র সংসদই জামায়াতে ইসলামীপন্থী ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এসব ছাত্রনেতার অনেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরই জনপরিসরে পরিচিতি পান।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর ডাকসুর এক বছরের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) মেয়াদ শেষ হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) মেয়াদ শেষ হয় ২৩ অক্টোবর। গতকাল শেষ হয়েছে রাকসুর মেয়াদ।
‘গরুভোজ’ আয়োজনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আব্দুল আলিম আরিফ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, প্রশাসনের ‘অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের’ প্রতিবাদে এ আয়োজন করা হয়েছিল। তার দাবি, ক্যাম্পাসের প্রায় সব ছাত্রসংগঠন এতে অংশ নিয়েছিল।
ডাকসুর সাবেক নেতা মুশতাক বলেন, এ আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর যে মূল্যবোধ ধারণ করার কথা, তার অবক্ষয়েরই ইঙ্গিত দেয়।
তিনি বলেন, ‘প্রকৃত ধার্মিক কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ধর্মের অনুসারীদের অপমান বা হেয় করবেন না। এ ধরনের ঘটনা আমাদের সবার জন্যই লজ্জার।’
নানা বিতর্কে ছাত্রনেতারা
ছাত্র সংসদগুলোর নেতারা ইতিহাস ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন।
ডাকসুর নেতারা সংসদের জাদুঘর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে সেখানে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতিকৃতি স্থাপন করেন।
এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে মুশতাক বলেন, ‘আমরা এমন কিছু কর্মকাণ্ড দেখছি, যা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পরিপন্থী।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন খান এ পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, ডাকসুর নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে উপেক্ষা করেছেন। অন্যদিকে প্রশাসনও তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে। এতে বোঝা যায়, ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ আগের মতোই রয়ে গেছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই টিএসসির ক্যাফেটেরিয়ায় পর্দা দিয়ে ঘেরা ‘ফিমেল জোন’ চালু করে ডাকসু। এ উদ্যোগকে অনেকে নারী-পুরুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেন এবং সমালোচনা করেন।
মুশতাক বলেন, ‘এর মূল কারণ তাদের রাজনৈতিক আদর্শ। এ আদর্শ মূলত পশ্চাৎমুখী। তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রগতিশীল ও ভবিষ্যৎমুখী হলে তারা এমন কাজ করত না।’
ডাকসু অনলাইনে শিক্ষকদের মূল্যায়নের একটি ব্যবস্থা চালু করলে শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, এর মাধ্যমে তাদের সাইবার হয়রানির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্য অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন এ উদ্যোগকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে বর্ণনা করেন। তার মতে, শিক্ষকদের মূল্যায়ন করার এখতিয়ার ডাকসুর নেই। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক নষ্ট করে এবং শিক্ষার পরিবেশকে বিষাক্ত করে তোলে।
অধ্যাপক মামুনও শিক্ষকদের মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে ছাত্র প্রতিনিধিদের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, এ উদ্যোগের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।
তবে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ এ উদ্যোগের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনেই এটা অনুমোদন করা হয়েছে।
গত ২৭ জুলাই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন রাকসুর নেতারা।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের ভেতরে প্রক্টরের উপস্থিতিতে ওই তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করছেন রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার।
কোনো অন্যায় করার অভিযোগ অস্বীকার করে আম্মার বলেন, ‘তারা আমাদের ওপর হামলা করেছিল, আমরা প্রতিরোধ করেছি।’
অসদাচরণের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের সদস্যপদ হারানো আম্মারের দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কখনো কখনো ছাত্র সংসদের গঠনতন্ত্রে নির্ধারিত ক্ষমতার বাইরেও পদক্ষেপ নিতে হয়।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাকসুর সহসভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ দ্য ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানান। ওই সময় রাজধানীতে পত্রিকা দুটির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় একদল লোক।
গত বছরের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠনের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত ছয় ডিনকে পদত্যাগের দাবি জানান আম্মার। পরে ওই ডিনরা পদত্যাগ করেন।
গত ১০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসুর কয়েকজন নেতা আইন বিভাগের শিক্ষক হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভকে ধাওয়া করে প্রক্টরের কার্যালয়ে নিয়ে যান। আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তারা এ ঘটনা ঘটান।
গত ২৮ জুলাই আবাসিক হলে আসন বণ্টন নিয়ে প্রতিবাদের সময় ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ একটি সিন্ডিকেট সভাকক্ষের দরজা ভেঙে ফেলার হুমকি দেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. মাজহারুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রার ভবনে তালা দেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় হামলায় সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
এছাড়া ছাত্র সংসদের আরও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।
ডাকসুর নির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা এক পরিবহন শ্রমিককে মারধর, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাছে এক যুগলকে হেনস্তা এবং একটি খেলার মাঠ ও জিমনেশিয়ামে কিশোর ও তরুণদের জোর করে কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।
গত ২৬ জানুয়ারি তিনি ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তবে পাঁচ দিন পরই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। তার দাবি, শিক্ষার্থীরা তাকে দায়িত্বে থাকার অনুরোধ করেছেন।
গত ১১ ডিসেম্বর ডাকসুর সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ বি জুবায়ের আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠনের নেতা অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনকে ক্যাম্পাসে ধাওয়া করেন বলে ভিডিওচিত্রে দেখা যায়।
গত সেপ্টেম্বরে ডাকসুর নেতারা দাবি করেন, তারা ৪০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ খাতে বরাদ্দ ছিল মাত্র ৩৫ লাখ টাকা। প্রকল্পভিত্তিক ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাবও তারা দিতে পারেননি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ের নথির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪২টি কর্মসূচির জন্য রাকসুকে ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে গত ২০ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ব্যয়ের ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি।
অধ্যাপক মামুনের অভিযোগ, ছাত্র সংসদের কয়েকজন নেতা দলবদ্ধ সহিংসতায় উৎসাহ দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ও সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন।
অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগের নিষ্পত্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব আইন রয়েছে। সেখানে ন্যায়বিচার না পেলে ফৌজদারি আইনেও প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আমরা শিক্ষকদের ধাওয়া করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে লোকজনকে সংঘবদ্ধ করতে দেখেছি।’
ডাকসুর সাবেক নেতা মুশতাক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরের বছরগুলোতেও রাজনৈতিক মতপার্থক্য ছিল। তবে তা সত্ত্বেও ছাত্রসংগঠনগুলো প্রকাশ্যে শিক্ষকদের হেয় করত না।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের সঙ্গে মতের অমিল হলে শিক্ষার্থীরা সমালোচনা করতেন। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কাউকে অপমান করার চেষ্টা আমরা কখনো দেখিনি। একজন শিক্ষককে অপমান করার চিন্তাটাই অকল্পনীয় ছিল।’
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে হবে গণতান্ত্রিক উপায়ে।
অধ্যাপক মামুনের মতে, ছাত্র সংসদগুলোর এসব বিতর্ক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে বৃহত্তর ব্যর্থতারই প্রতিফলন। শিক্ষা, গবেষণা, আবাসন ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাব্যবস্থায় সংস্কারের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি।
তার অভিযোগ, গণঅভ্যুত্থানের পর ক্যাম্পাসে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ছাত্রশিবির ছাত্র সংসদের নেতাদের পাশাপাশি নিজেদের বিদ্যমান সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেছে।
