সকালে হোটেলের বাইরের ছবি। ছবি: এই সময়
Published on
:
1 min read
দু’মাসের মধ্যে ফের তারাপীঠের অভিজাত হোটেলে আগুন আতঙ্ক। মঙ্গলবার ভোরের দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। তবে, এই ঘটনা নিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমকে কিছু বলতে চাননি। কেউ হতাহতও হননি। পুলিশ ও দমকলের তৎপরতায় এড়ানো গিয়েছে বড় বিপদ। প্রত্যেক অতিথিকেই নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে।
রামপুরহাট থেকে তারাপীঠ যাওয়ার রাস্তার ধারে এই সুবিশাল হোটেল। জানা গিয়েছে, এ দিন ভোর পৌনে ৪টে নাগাদ হোটেলের ২০১ নম্বর ঘরে আগুন লাগে। ঘটনার খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যায় দমকল এবং রামপুরহাট থানার পুলিশ।
এক নজরে
মঙ্গলবার ভোরে রামপুরহাট-তারাপীঠ সংযোগকারী সড়কের ধারের একটি অভিজাত হোটেলের ২০১ নম্বর ঘরে আগুন লাগে।
খবর পাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ও দমকল পৌঁছে হোটেলের ১২ জন অতিথিকে সুরক্ষিতভাবে বের করে আনে।
গত ১৭ অগস্ট তারাপীঠের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৮ জনের মৃত্যুর পর দু'মাসের মধ্যে ফের একই শহরে আগুন আতঙ্ক।
ঘটনার পর সার্বিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চায়নি।
ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর না থাকলেও, ঠিক কী কারণে আগুনের সূত্রপাত তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে দমকল বিভাগ।
হোটেলে থাকা পর্যটক এবং কর্মীদের তড়িঘড়ি বাইরে বের করে আনা হয়। দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতিও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। রামপুরহাট থানার এক আধিকারিক জানান, ভোর ৩টে ৫১ মিনিটে তাঁদের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই দমকলের ইঞ্জিন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। সেখান থেকে ১২ জনকে বের করে নিয়ে আসা হয়।
বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে কী ভাবে আগুন লাগল, তা দমকল বিভাগের রিপোর্ট আসার পরেই পরিষ্কার হবে। হোটেল কর্তৃপক্ষকে এ নিয়ে কোনও কথা বলতে চায়নি। এর আগে গত ১৭ অগস্ট তারাপীঠ মন্দিরের কাছে একটি হোটেলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ৮ জনের মৃত্যু হয়। শ্রাবণ মাসে পুজো দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই সময়েই এই হোটেল-সহ তারাপীঠের একাধিক হোটেল-গেস্ট হাউসের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়ে। জেলা প্রশাসন নোটিসও দেয়।