উখিয়ায় ৭ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে প্রাকৃতিক গ্যাসের আগুন, নিয়ন্ত্রণে আসছে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি বাড়িতে গভীর নলকূপের পাইপ বসানোর সময় হঠাৎ গ্যাস নির্গত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সাত ঘণ্টা পার হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উখিয়ার ইনানী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল্লাহর বাসার আঙিনায় এ ঘটনা ঘটে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আরও পড়ুন
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রায় ১০ দিন আগে ওই এলাকার আবদুল্লাহর ভাড়া বাসার আঙিনায় পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু হয়। প্রায় এক হাজার ফুট খনন করেও পানি না পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে গর্তটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে ওই গর্ত থেকে হঠাৎ গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে আগুন জ্বলে ওঠে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। গর্ত থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গত হতে থাকায় আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা জটিল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার দোলন আচার্য্য জানান, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্যাসের প্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
এদিকে, প্রাকৃতিক গ্যাস নির্গমন ও আগুন জ্বলে ওঠার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় তিনি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মাটির নিচ থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গত হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা নেওয়ার উদ্যোগ নেয় বলে জানান।
তিনি বলেন, ঘটনাটি ইতোমধ্যে বাপেক্স সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বাপেক্সের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্যাস নির্গমনের প্রকৃতি, সম্ভাব্য উৎস এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত পদ্ধতি পর্যালোচনা করবে। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরিস্থিতি নিরাপদ পর্যায়ে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত কারণ ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরূপণে বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ঘটনাস্থলের আশপাশে বসতি তুলনামূলক কম থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের আশঙ্কা কম। তবে গ্যাস নির্গমন অব্যাহত থাকায় সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
রিদুয়ানুল সোহাগ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
জয়পুরহাটে বিষ দিয়ে তিন কৃষকের বেগুনখেত নষ্ট
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা গ্রামে তিন কৃষকের বেগুনখেতে বিষ দিয়ে গাছ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৪২ শতক জমির বেগুনগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত দুর্বৃত্তরা তাদের জমিতে বিষ প্রয়োগ করে।
জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা গ্রামের কৃষক মামুনুর রশিদ ১২ শতক, আমজাদ হোসেন ২০ শতক ও আবু হেনা ১০ শতক জমিতে বেগুন চাষ করেছিলেন। ধার দেনা করে লাগানো এই ফসলে ফলন আসতে শুরু করেছিল। কিন্তু তাদের লাভের আশা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এতে গাছগুলো মরে যেতে শুরু করেছে ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা।
আরও পড়ুন
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘১২ শতক জমিতে বেগুন চাষ করেছিলাম। রাতের আঁধারে কে বা কাহারা আমার জমির বেগুন গাছে ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করেছে। এতে আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে।’
আমজাদ হোসেন বলেন, ‘আমি ২০ শতক জমিতে বেগুনের চাষ করেছি। গাছে সবেমাত্র বেগুন ধরা শুরু করেছে । আমি জমিতে সেচ দিয়ে বাসায় ছিলাম সকালে এসে দেখি সূর্যের আলোয় বেগুন গাছ নেতিয়ে যাচ্ছে। পরে বুঝতে পারলাম আমার বেগুন গাছে কে বা কারা বিষ প্রয়োগ করেছে। আমি বিচার চাই।’
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি, তবে অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সাগর কুমার/আজহার/
সাগর কুমার
জয়পুরহাট
আরও পড়ুন
ঝালকাঠিতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে হামলা, আহত ৭
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঝালকাঠির নলছিটিতে সুগন্ধা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান চালানোর সময় মৎস্য বিভাগের কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ জন আহত হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা মৎস্য দপ্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে একটি স্পিডবোট ও একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে সুগন্ধা নদীতে অভিযান শুরু করেন তারা। নলছিটি অংশে অভিযান শেষে ফেরার পথে কুমারখালীর জাঙ্গালিয়া-সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ১২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আসা দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধ করে। পরে লাঠিসোঁটা ও রামদা দিয়ে হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন
এনামুল হক জানান, হামলায় মৎস্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার বিশ্বাস স্পিডবোট থেকে পড়ে আহত হন। এ ছাড়া আনসার ও ভিডিপির তিন সদস্য- হাবিলদার আবদুর রহিম, সিপাহি সাকিব হাসান ও সিপাহি সেলিম মিয়া, মাঝি মো. রেজাউল করিম, চালক মো. মোস্তফা সিকদার এবং অফিস সহায়ক মো. রমজান আলী খলিফা আহত হন।
তিনি জানান, হামলাকারীরা স্পিডবোট ও ট্রলারচালকদের কান ধরে ওঠবস করায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আর অভিযানে না আসার জন্য তাদের কাছ থেকে মৌখিক অঙ্গীকার আদায় করে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নেয়ামুল আহসান /তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বাড়িঘর ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
সৌরভ চন্দ্র মহন্ত ও শফিকুর ইসলাম আরিফ। ছবি: খবরের কাগজ
-->রংপুরের পীরগঞ্জে ফেসবুকে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ করে ভিডিও প্রকাশের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তিন পরিবারের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। ভিডিও প্রকাশের অভিযোগে সৌরভ চন্দ্র মহন্ত (২২) এবং হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত শফিকুর ইসলাম আরিফকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চক করিম (তেলিপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চক করিম (তেলিপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা বিশু চন্দ্র মহন্তের ছেলে সৌরভ চন্দ্র মহন্তের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ করে ভিডিও প্রকাশের অভিযোগ ওঠে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এরই মধ্যে একদল লোক তিনটি পরিবারের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় তিনটি ছাগল ও আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
আরও পড়ুন
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সৌরভের বাবা বিশু চন্দ্র মহন্ত বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। অন্যদিকে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
পুলিশ জানায়, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে সৌরভ চন্দ্র মহন্তকে বগুড়ার শিবগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত শফিকুর ইসলাম আরিফকে সোমবার রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমূল হক বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সেলিম সরকার/আজহার/
আরও পড়ুন
হাতিয়ায় ট্রলার ডুবে নিখোঁজ ২ জেলের মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় কর্ণফুলি নদীতে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গিয়ে নিখোঁজ দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর আকমল আলী ঘাটের কাছ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেলের মর্গে নিয়ে যায়।
এর আগে সোমবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রামের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলি নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ট্রলারে থাকা তিন জেলের মধ্যে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ হন অন্য দুই জেলে।
আরও পড়ুন
নিহত দুই জেলে হলেন- নোয়াখালী হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের মোস্তপার ছেলে মিরাজ উদ্দিন (৩২) ও একই উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে শরীফ উদ্দিন।
বেঁচে ফেরা জেলে কামাল উদ্দিন জানান, চারদিন আগে তারা মাছ ধরার কাজে ব্যবহারের জন্য একটি লালবোট কিনতে চট্টগ্রামের বন্দরটিলা এলাকায় যান। ট্রলারটি কেনার পর রবিবার রাতে তারা সেটি নিয়ে হাতিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। ফেরার পথে চট্টগ্রামের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলি নদীতে পৌঁছালে তাদের বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এ সময় নদীর স্রোতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। তাদের ট্রলারটি পেছনে থাকা একটি কার্গো জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নদীতে ডুবে যায়। তিনি জাহাজের শিকল ধরে ঝুলে থাকেন। পরে জাহাজের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। তবে ট্রলারে থাকা অপর দুই জেলে মিরাজ উদ্দিন ও শরীফ উদ্দিনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, নিখোঁজদের সন্ধানে চট্টগ্রাম যাওয়া শরিফ উদ্দিনের চাচা চেম্পার উদ্দিন জানান, সকালে তারা মরদেহ দুটি উদ্ধারের সংবাদ পায়। পরে খোঁজ নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে মরদেহ নিয়ে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আলম বলেন, সকালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কর্ণফুলি নদী থেকে নিহত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে নিয়মানুযায়ী মরদেহ দুটি চট্টগ্রাম মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে স্বজনদের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে।
হানিফ সাকিব/খাদিজা রুমি/
