- ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
মঙ্গলাপুরম: এবারের রনজি অভিযানের শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছে বাংলার। প্রথম দুই ম্যাচে দিল্লি ও সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে এসেছে সরাসরি জয়। ১২ পয়েন্টে গ্রুপ সি’র শীর্ষে অভিমন্যু ঈশ্বরণের দলই। তবে সোমবার কেরলের বিরুদ্ধে রনজির তৃতীয় ম্যাচের শুরুটা ভালো হল না। বৃষ্টিবিঘ্নিত দিনে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৭২ তুলেছে সফরকারী দল। ওপেনার অঙ্কুর পাল করেন ৬৬। মিডল অর্ডারে রান পান সুদীপ ঘরামি (৩৬)। ৩৫ রানে ক্রিজে রয়েছেন শাহবাজ আহমেদ। এছাড়া সবাই ব্যর্থ। ক্যাপ্টেন অভিমন্যু (১০), তিনে নামা আমির গোনি (১৪), সুদীপ চ্যাটার্জি (৬), অভিষেক পোড়েল (০) চরম হতাশ করেন।
কেসিএ ক্রিকেট মাঠে আদিত্য সারওয়াতের বাঁ-হাতি স্পিনই ভাঙন ধরায় বাংলা ইনিংসে। স্টাম্প লক্ষা করে টানা বোলিংয়ের সুফল পান ৩৬ বছর বয়সি। একসময় বাংলার স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১০২। তখন অঙ্কুর ও সুদীপ ঘরামির জুটি বড়ো রানের আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু সেখান থেকেই ১০৮-৫ হয়ে যায় বাংলা। তিনটি উইকেটই নেন আদিত্য। তাঁর স্পিনেই নামে ধস। পরপর দু’বলে সুদীপ চ্যাটার্জি ও অভিষেক পোড়েলকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেন আদিত্য।
দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া পরিস্থিতিতে লড়াই চালান সুদীপ ও শাহবাজ। দু’জনে ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করেন ৬২। কিন্তু পড়ন্তবেলায় সুদীপের আউটে ফের চাপে বাংলা। অন্তত আড়াইশো রানে পৌঁছাতে চাইছে লক্ষ্মীরতন শুক্লার ছাত্ররা। সেজন্য শাহবাজের সঙ্গে সুমন্ত গুপ্তের (ব্যাটিং ১) জুটিই ভরসা। কারণ এরপর আর স্বীকৃত ব্যাটার নেই।
গ্রুপ সি’র অন্য ম্যাচে অধিনায়ক আয়ুষ বাদোনির (১০৬ ব্যাটিং) দাপটে রাঁচিতে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে ৩০৯ তুলেছে দিল্লি। গ্রুপ এ’র ম্যাচে অফস্পিনার সারাংশ জৈনের (৭-৪০) ঘূর্ণিতে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে বিহার থামল ৯৯ রানে। গ্রুপ ডি’তে হরিয়ানার বিরুদ্ধে ৩ উইকেটে মুম্বইয়ের সংগ্রহ ২৯০। শতরান করেছেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (১১৪) ও মুশির খান (১০৯)।
