জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফুকুদা ইয়াসুও ৯০ বছর বয়সে মারা গেছেন
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফুকুদা ইয়াসুও ৯০ বছর বয়সে মারা গেছেন।
ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি জানিয়েছে, ফুকুদা ২২শে অক্টোবর মারা গেছেন।
ফুকুদা ১৯৩৬ সালে টোকিওতে জন্মগ্রহণ করেন। একটি তেল কোম্পানিতে কাজ করার পর, তিনি তার বাবা তাকেও'র সচিব হিসেবে কাজ করেন, যিনি এলডিপি'র নিম্নকক্ষের সদস্য ছিলেন।
বাবার অবসর গ্রহণের পর, ফুকুদা ১৯৯০ সালে জাপানের নিম্নকক্ষ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো জয় লাভ করেন। তিনি টানা সাত বার নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ফুকুদা ৭১ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন, যা ছিল তার বাবার জন্যও প্রযোজ্য। জাপানের সাংবিধানিক ইতিহাসে তারাই ছিলেন প্রথম পিতা-পুত্র, যারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে, ফুকুদা তার কার্যকালে তৎকালীন চীনা প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও-এর সাথে পারস্পরিক সফরের আয়োজন করে জাপান-চীন সম্পর্ক উন্নত করার জন্য কাজ করেছেন।
ফুকুদা পূর্ব চীন সাগরে গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নের অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়েও কাজ করেছেন এবং উভয় পক্ষের অংশগ্রহণে যৌথ উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত করে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
ফুকুদা ২০০৮ সালের জুলাই মাসে জাপানের হোক্কাইদোতে গ্রুপ অফ এইট শীর্ষসম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন। এই সম্মেলনে ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন অর্ধেকে নামিয়ে আনার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উল্লেখ্য, মন্ত্রিসভায় তার জনপ্রিয়তা কম থাকায় তিনি সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
২০১২ সালের নিম্নকক্ষ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেন। তবে, তিনি চীনের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার কাজ সব সময় চালিয়ে গিয়েছেন।