সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন নাহার রুনি হত্যা মামলার তদন্তে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীর নাম এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের প্রাথমিক অনুসন্ধান থেকে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের সঙ্গে রোকেয়া প্রাচীর সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটররা। তবে সেই তথ্য এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। প্রসিকিউশনের কাছে থাকা ডিজিটাল আলামত ও তথ্য-উপাত্ত চেয়ে গত ১৩ অক্টোবর চিঠি পাঠালেও তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এখনো সেগুলো পায়নি।
মামলার তদন্তে গঠিত টাস্কফোর্সের অগ্রগতি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) হাইকোর্টে প্রতিবেদনটির অংশ উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
তদন্ত ও তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছে।
গত ১৯ অক্টোবর টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে দাখিল করেন।
রোকেয়া প্রাচীর নাম এলো যেভাবে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ আগস্ট বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বরিশালের বাসায় অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু ডিজিটাল আলামত জব্দ করেছে। এসব আলামতের মধ্যে ছিল বিভিন্ন জিওলোকেশন-সংক্রান্ত তথ্য, এসএমএস এবং কল ডিটেইল রেকর্ডের (সিডিআর) মুদ্রিত কপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রসিকিউটর জোহা প্রাথমিক তদন্তে জিয়াউল আহসান ও একজন গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামও বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরনের বক্তব্য দেন।
তিনি জানান, তাদের তদন্ত শেষ হলে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
টাস্কফোর্সের সদস্যদের পাশাপাশি চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহার সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা প্রাথমিকভাবে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জিয়াউল আহসান ও গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রোকেয়া প্রাচীর সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে তারা টাস্কফোর্সকে জানান।
তাদের প্রাথমিক তদন্ত শেষ হলে প্রাপ্ত তথ্য পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানানো হয়। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি গত ১৩ অক্টোবর তাদের কাছে থাকা ডিজিটাল আলামত ও তথ্য-উপাত্ত তদন্তের স্বার্থে হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠায় টাস্কফোর্স। তবে প্রতিবেদন দাখিলের সময় পর্যন্ত পিবিআই কোনো তথ্য পায়নি।
প্রতিবেদনে রোকেয়া প্রাচী বা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধে জড়িত থাকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়নি। তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রাথমিক অনুসন্ধান ও যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে দুই অজ্ঞাত পুরুষের ডিএনএ
রোকেয়া প্রাচীর নাম আসার বিষয়টির বাইরে, দীর্ঘ তদন্তেও সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এবং কারা এতে জড়িত, তা সুনির্দিষ্ট করা যায়নি বলে জানিয়েছে টাস্কফোর্স। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে পাওয়া ডিএনএ নমুনার মধ্যে দুই অজ্ঞাত পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল শনাক্ত করা গেলেও তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
সাগরকে বাঁধতে ব্যবহৃত চাদর ও রুনির টি-শার্ট থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষায় ওই দুই অজ্ঞাত পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা হিসেবে নমুনা যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ল্যাবে পাঠানো হয়। কিন্তু ডিএনএর মধ্যে একাধিক ব্যক্তির নমুনা মিশে থাকায় সেখান থেকে ছবি প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ল্যাবের মতামতে উল্লেখ করা হয়। ফলে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যায়নি।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ঘটনাস্থলে মোট ৪ জনের ডিএনএ পাওয়া গেছে; তিনজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের মধ্যে একজন পুরুষকে মামলার ভুক্তভোগী গোলাম সারওয়ার সাগর এবং নারীকে মেহেরুন নাহার রুনি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি দুই পুরুষের পরিচয় উদ্ঘাটন করা যায়নি।
হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বটি, ছুরির হাতল, সাগর ও রুনির পরিধেয় পোশাকসহ অন্যান্য আলামত এবং ২৫ জনের মুখের ভেতরের কোষ থেকে সংগৃহীত নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ও নেদারল্যান্ডসের একটি ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। ল্যাবগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, আলামত থেকে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে পাঠানো ব্যক্তিদের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি।
টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ববর্তী তদন্তকারীরা মামলার তদন্তকালে ৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছিলেন। বর্তমান তদন্তেও সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও আসামিদের ডিএনএর সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাওয়া অজ্ঞাত ডিএনএর মিল আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু তাতে হত্যাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
ফরেনসিক পর্যবেক্ষণ
প্রতিবেদনের ‘বিশেষ পর্যবেক্ষণ' অংশে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, সাগর ও রুনির শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে উল্লেখযোগ্য আঘাতের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে তাদের শরীরে অনেক ক্ষত ছিল, যেগুলোর কারণে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আহত হওয়ার পরও তারা কিছু সময় জীবিত ছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়। তাদের ঘাড়, পিঠ ও চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ক্রাইমসিন ও ভুক্তভোগীদের শরীরের ক্ষতের ধরন বিবেচনায় প্রতিবেদনে বলা হয়, খুনিরা তাড়াহুড়া করেনি। একই সঙ্গে প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ধরন পেশাদার খুনিদের অপরাধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বা দাম্পত্য কলহের কারণে একজনকে হত্যার পর অপরজন আত্মহত্যা করেছেন; এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দুজনকেই হত্যা করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। পেশাগত কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি।
সাগরের কর্মস্থল মাছরাঙা টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেও তার পেশাগত জীবনে কোনো শত্রুতা বা বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। সাগর ও রুনি দীর্ঘদিন জার্মানিতে ছিলেন এবং মৃত্যুর প্রায় সাত মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন।
সামিট বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্ল্যান্টটির নির্মাণকাজ ২০১৩ সালে শুরু হয় এবং ২০১৫ সালে কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, দম্পতির মৃত্যুর পর নির্মাণকাজ ও কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সামিট গ্রুপের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।
অর্থ বা জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে; এমন কোনো তথ্যও তদন্তে মেলেনি। তাঁদের ব্যবসায়িক লেনদেন বা ধারকর্জের তথ্য পাওয়া যায়নি। গ্রামের বাড়ির ঠিকানায় খোঁজ নিয়েও জমিজমা নিয়ে কারও সঙ্গে বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
সাক্ষী, সন্দেহভাজন ও জব্দ করা আলামত
টাস্কফোর্সের অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পূর্ববর্তী তদন্ত কর্মকর্তারা মোট ১৬৭ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়েছিলেন। বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা ৯০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২৪ জনের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছেন। এছাড়া মামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করা বিভিন্ন ধরনের ৪৭টি আলামত জব্দ করা হয়েছিল।
পূর্ববর্তী তদন্তকারীরা শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও কলাবাগান থানায় দায়ের করা ১৩০টি চুরি ও ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ১৫ জন সন্দেহভাজনের বিষয়ে গোপনে ও প্রকাশ্যে তদন্ত করেছিলেন। বর্তমান তদন্তকালে ৪২ জন সন্দেহভাজনের নাম-ঠিকানা এবং পিসিপিআর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।
তদন্তে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সহায়তা নেওয়া হয়। সন্দেহভাজনদের কয়েকজনের গতিবিধি, চলাচল ও অতীতের কর্মকাণ্ড নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হলেও হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য কিংবা এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা সুনির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাবেক পুলিশ ও র্যাব কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়নি
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাগর-রুনি হত্যা মামলায় চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন ও দুটি ল্যাপটপ এখনো উদ্ধার করা যায়নি। পিবিআই, সিআইডি, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও র্যাবের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এসব মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট হিসেবে সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিষয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া সাবেক ডিএমপি ডিবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, সাবেক র্যাব মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমান এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাংবাদিক রুমী নোমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তের স্বার্থে ওই ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা দিকনির্দেশনা পাওয়া যেতে পারে।
ভিসেরা পরীক্ষায় চেতনানাশক মেলেনি
সাগর ও রুনির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছিল। তবে প্রথম দফায় তাঁদের ভিসেরা সংরক্ষণ করা হয়নি। পরে আদালতের অনুমতি নিয়ে কবর থেকে লাশ তুলে পুনরায় ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়। চেতনানাশক পদার্থের অস্তিত্ব ছিল কি না, তা পরীক্ষা করতে ফুসফুস, যকৃৎ ও পাকস্থলীর নমুনা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। ভিসেরা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে চেতনানাশক পদার্থের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরো সময়ের আবেদন
প্রতিবেদনের মন্তব্য অংশে বলা হয়, সাগর-রুনি হত্যা মামলা একটি বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ড। দীর্ঘ তদন্তেও হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং সাক্ষীদের আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছে টাস্কফোর্স। এসব কাজ শেষ করে তদন্ত সম্পন্ন করতে আরো সময় চাওয়া হয়েছে।
