রক্তের সিঁড়ি বেয়ে যে বিজয় আসার কথা বলা হয়েছে। অবশেষে সেই বিজয় আসে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বা ৩৬ জুলাই। ঐদিন প্রমাণ হয় শহীদের রক্ত বৃথা যায় না। শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই সময় যখন আসে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার পালানোর পথ খুঁজে পায় না।
রক্ত কথা বলে। রক্তের সিঁড়ি বেয়ে বিজয় আসে। ”জীবনের চেয়ে দীপ্ত মৃত্যু তখনি জানি/ শহীদী রক্তে হেসে ওঠে যবে জিন্দেগানী।”- মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদের এ দ্বিপদী (Couplet) কবিতা এ কথাই বলে। এই সত্য মৃত্যুর মিছিল আর রক্ত স্রোতের সামনে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করতে পারেন ন্যায় ও সত্যের পক্ষের সাহসী বীর দামাল তারুণ্য। ভীরু কাপুরুষরা রক্ত দেখে ভয়ে মুখ লুকায় মুর্ছা যায়। স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসে অট্টহাসি। সে ভাবতেই পারে না এই রক্ত স্রোতের বন্যায় তার হাসি খুব শিগগিরই হারিয়ে যাবে। বিষাদের বন্যা তাকে গ্রাস করবেই। তাই কোন সুবচনই তাকে নিভৃত করতে পারে না। যেমন পারে নি ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে।
ক্ষমতার লোভে পিশাচের প্রলয় নৃত্য
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকারের ক্ষমতার মেয়াদ শেষে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কে. এম. হাসান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণের পর তার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার কথা ছিলো। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট দেখলো নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের মাধ্যমে নির্বাচন হলে বিএনপি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোটের মোকাবিলায় তাদের বিজয়ের কোন সম্ভাবনা নেই। তাই ক্ষমতা দখলের নেশায় পাগল শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ ও তার নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সন্ত্রাসীরা পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিলো। তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র পল্টন মোড়ে প্রকাশ্য দিবালোক বাংলাদেশ জামায়াতে ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৬ জন নেতাকর্মীকে হাসিনার নির্দেশে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। লাশের ওপর উঠে প্রলয়নৃত্য করে। বিশ্ব বিবেক কেঁপে উঠে। নিন্দার ঝড় উঠে জাতিসংঘ থেকে নিয়ে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তরে। তারপরও তারা লজ্জা পায় না, তাদের মানবিক আত্মা জাগে না। বরং আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের খুনের নেশা আরো বেড়ে যায়। রাজধানীর খুনীদের খুনের নেশা সংক্রামিত হয় তৃণ-পর্যায়ের তাদের দোসরদের মাঝে। অক্টোবর ছাড়িয়ে নভেম্বর,ডিসেম্বর মাস জুড়েও চলে তাদের ত্রাসের রাজত্ব। সারা দেশের জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি অফিসে আগুন দেয়, নিরীহ নেতা-কর্মীদের হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
নারায়ণগঞ্জ,গাজীপুর,নরসিংদী,নীলফামারী,সাতক্ষীরা,কুড়িগ্রাম, মেহেরপুরসহ সারা দেশে শতাধিক নেতা-কর্মী শাহাদাত বরণ করেন। আহত হন কয়েক শত নেতা-কর্মী। পরিতাপের বিষয় ২৮ অক্টোবরের ঘটনার মাত্র ১৫ দিন আগে বাংলাদেশ নাম লেখায় শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দেশের তালিকায়। ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালের ১৩ অক্টোবর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। শান্তিতে নোবেল জয়ী দেশের এমন বর্বর ঘটনায় হতবাক হয়ে যায় বিশ্বের শান্তিবাদী মানুষরা।
পল্টন মোড়ে সে দিন কী ঘটেছিল
চারদলীয় জোট সরকারের ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররমের উত্তর সড়কে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ ছিলো বিকাল ৩টায়। সকাল থেকেই সভার মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। হঠাৎ করেই বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের লগি, বৈঠা ও অস্ত্রধারীরা জামায়াতের সমাবেশ স্থলে হামলা চালায়। পল্টন মোড়ে এ ঘটনায় জামায়াত ও শিবিরের ৬ জন নেতাকর্মী শহীদ ও শতাধিক আহত হন। তারা চেয়েছিল জামায়াতের সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দিতে। প্রথম দফা হামলার পর তারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে থাকে। আশপাশের ভবনের ছাদে উঠে বোমা ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র হাতে অবস্থান নেয়। সভার শেষ দিকে মাওলানা নিজামীর বক্তব্য শুরু হলে তারা তাদের নীলনকশা অনুযায়ী পুনরায় হামলা চালায়। একদিকে ভবনের ছাদ থেকে বৃষ্টিরমতো বোমা বর্ষণ করতে থাকে। অপরদিকে পল্টন মোড় থেকে গুলী ছুঁড়তে ছুঁড়তে লগি বৈঠাধারীরা সমাবেশের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা তৈরি করে মানব ঢাল। এ সময় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলী মাথায় বিদ্ধ হয়ে রাজপথে লুটিয়ে পড়েন জামায়াত কর্মী হাবিবুর রহমান ও জুরাইনের জামায়াত কর্মী জসিম উদ্দিন। পল্টন মোড় ও ঢাকার অন্যান্য এলাকায় আরো যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের অন্যতম হলেন: মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম ফাহিম। তিনি ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিবিএ ৩য় বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রশিবিরের মিরপুর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। হাফেজ গোলাম কিবরিয়া শিপন। তিনি ছিলেন ঢাকা কলেজের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রশিবিরের সাথী। জামায়াতকর্মী জসিম উদ্দিন-১ তাকে লগি-বৈঠা দিয়ে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেছে আওয়ামী পিশাচরা। ইসলামী ছাত্রশিবির সাথী সাইফুল্লাহ মুহাম্মদ মাসুম, রফিকুল ইসলাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত,আব্দুল্লাহ আল আলী,জসিম উদ্দিন-২,আরাফাত হোসেন,সাবের হোসেন,এস এম ইসমাইল চৌধুরী, গাজীপুরের জাাময়াত নেতা রুহুল আমীন শাহাদাত বরণ করেন।
সেদিন রাজধানীর পল্টন মোড়ে সকাল ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা হাজী সেলিমের নেতৃত্বে লালবাগ থানা আওয়ামী লীগ লগি-বৈঠা হাতে বিশাল মিছিল নিয়ে পল্টন মোড়ে আসে। মিছিলকারীরা ধর ধর বলে জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় জিপিও এলাকায় অবস্থানরত ১৪ দলের শত শত কর্মী লগি-বৈঠা নিয়ে তাদের সাথে যোগ দেয়। এ সময় ১৪ দলের কর্মীরা প্রকাশ্যে গুলী করা ছাড়াও লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক আঘাত হানতে থাকে নিরীহ জামায়াত-শিবিরের কর্মীদের ওপর। মঞ্চ গুঁড়িয়ে দিতে এগিয়ে যেতে থাকে বায়তুল মোকাররম উত্তর সড়কের দিকে। এ হামলায় পিস্তলসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ডা. এইচবিএম ইকবাল ও তার বাহিনী নিয়ে যোগ দেয়। সেদিন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা যায় আওয়ামী লীগ নেতা ডা. ইকবাল সেদিন পল্টন মোড় থেকে একটু এগিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) অফিসের সামনে তার অনুগত একদল যুবককে হাত নেড়ে সামনে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে। এভাবে তারা ত্রাসের নৈরাজ্য কায়েম করে ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন ১/১১ এর সরকারের পথ তৈরি করে।
ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকার
সাময়িক সুখে অট্টহাসি হাসে ফ্যাসিস্ট জঙ্গি অপশক্তির দোসররা। ভোটের নাটক মঞ্চস্থ করে ক্ষমতা দখল নিশ্চিত করতে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি (১/১১) তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ-এর নেতৃত্বে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর পরদিন, অর্থাৎ ১২ জানুয়ারি ২০০৭-এ ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয় সেনাশাসিত কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। যা ইতিহাসে ‘১/১১-এর সরকার’ বা ‘ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকার’ নামে পরিচিত।
‘ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দিন সরকার’ সরকারের মঞ্চস্থ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা দখলের পর ২০০৬ এর ২৮ অক্টোবরের খুনীরা ক্ষমতা দখল করে দেশকে গুম,খুন,হত্যা নির্যাতনের এক বধ্যভূমিতে পরিণত করে। সেই নির্মম ইতিহাসের সাক্ষী বাংলাদেশ। সাক্ষী এ বিশ্ব মানবতা।
হাসিনার রক্ত নদীর নৈরাজ্য
১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সাজানো, একদলীয়, রাতের ভোটে এবং আমরা এবং মামুরা ভোটে আওয়ামী লীগ সরকার একচ্ছত্র ও কর্তৃত্ববাদী দুঃশাসন পরিচালনা করে।
এই দীর্ঘ সময়কালে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ভিন্নমত দমন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর চরম নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম এবং বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের এক নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই দীর্ঘ দুঃশাসনের অবসান ঘটলেও, সে সময়ের ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষত আজও দেশবাসীর মনে গভীর দাগ কেটে আছে। হাসিনা সরকারের আমলে বিচার বিভাগ ব্যবহার করে বিচারের নামে জামায়াতে ইসলামী এবং প্রধান বিরোধী দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের রাজনৈতিক আক্রোশে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেছে । জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং মীর কাসেম আলী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী মতো শীর্ষ নেতাদের হত্যা করেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড লঙ্ঘন, সাক্ষ্যদানে বাধা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চিরতরে নিঃশেষ করার উদ্দেশ্যে বিচারিক প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করার অভিযোগ দেশী-বিদেশী মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার তুলেছে। কিন্তু হাসিনা তাকে কান দেয় নি।
বর্তমান সরকারের পতনের পর জাতি দেখেছে হাসিনার বিভীষিকাময় ‘আয়নাঘর’। জনগণের টাকায় লালিত প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত গোপন এ বন্দিশালায় বিরোধীদের ধরে এনে বছরের পর বছর কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া বন্দী করে রাখা হতো। তারপর হত্যা। গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কান্না ও আকুতি রাষ্ট্রীয়ভাবে বরাবরই অস্বীকার করা হয়েছে। বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী লেখক, সাংবাদিক এবং অধিকারকর্মীদের টার্গেট করে এই গুম ও খুন ছিলো ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের চরম লঙ্ঘন।
র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিচারবহির্ভূত হত্যা বা ‘ক্রসফায়ারের’ ঘটনা মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জবাবদিহিতার বাইরে রেখে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংস্কৃতি বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। শত শত রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে রাতের আঁধারে তুলে নিয়ে গিয়ে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করা হয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, এই বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হন অসংখ্য সাধারণ নাগরিকও, যাঁদের একমাত্র অপরাধ ছিল সরকারের সমালোচনা করা বা বিরোধী মত পোষণ করা।
রাজনৈতিক দমন-পীড়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নির্মমভাবে কেড়ে নেওয়া হয়। বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’ (পরবর্তীতে সাইবার নিরাপত্তা আইন) ব্যবহার করে সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্র এবং বুদ্ধিজীবীদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে পুলিশ ও দলীয় ক্যাডারদের যৌথ আক্রমণ ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুলী চালিয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে, এই হত্যাযজ্ঞের চূড়ান্ত পর্ব দেখা যায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভুত্থানে, সেসময় প্রায় দুই হাজার তাজা প্রাণ ঝরে পড়ে।
রক্ত সিঁড়ি বেয়ে অবশেষে আসে বিজয়
নিবন্ধের শুরুতে রক্তের সিঁড়ি বেয়ে যে বিজয় আসার কথা বলা হয়েছে। অবশেষে সেই বিজয় আসে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বা ৩৬ জুলাই। ঐদিন প্রমাণ হয় শহীদের রক্ত বৃথা যায় না। শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই সময় যখন আসে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার পালানোর পথ খুঁজে পায় না।
