ছবি: সংগৃহীত
-->নরসিংদীসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় দুপুর ১টার পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ ঘটনায় নরসিংদীতে ব্ল্যাকআউট হয়েছে কি না, তা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই কর্মকর্তার বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর বরাত দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকা ও সিলেট জোনে আংশিক ব্ল্যাকআউটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার তথ্য প্রচার করা হয়। তবে ঘটনাটিকে ব্ল্যাকআউট বলতে নারাজ নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। তাঁর দাবি, বিভিন্ন স্থানে ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছিল।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষের নোটিশে বলা হয়, ঢাকা ও সিলেট জোনে আংশিক ব্ল্যাকআউটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করে।
অন্যদিকে, নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, “বিষয়টি ব্ল্যাকআউট নয়। আমাদের কয়েকটি জায়গায় ফল্ট (ত্রুটি) হয়েছে। এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে উৎপাদনজনিত ত্রুটি দেখা দেওয়ায় নরসিংদী সদরের চৌয়ালা গ্রিড, ভুলতা, আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘোড়াশাল গ্রিডের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। যেসব গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছিল, সেগুলোতে সরবরাহ পুনরায় চালু করতে কাজ চলছিল। এ বিপর্যয় সাময়িক বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “একসঙ্গে সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো ব্ল্যাকআউট হয়েছে।” তিনি জানান, ঘোড়াশালে ২৩২ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু থাকলেও ১৩২ কেভির সব লাইন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
এদিকে, হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়।
শাওন খন্দকার শাহিন/এসএন
