দক্ষিণী চলচ্চিত্রের সুপারস্টার রজনীকান্তের বহুল প্রতীক্ষিত ও আলোচিত ছবি ‘জেলার ২’ রীতিমতো উড়ছে। ২০২৩ সালের ব্লকবাস্টার ‘জেলার’-এর সাফল্য ছাপিয়ে সিনেমাটি হাজার কোটি রুপি ছোঁয়ার পথে। সিনেমাটির সব কলাকুশলীকে নিয়েও আগ্রহ চারদিকে। এর মধ্যে আলাদাভাবে উঠে এসেছে একটি নাম- মিরনা।
‘জেলার’ সিনেমার ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এর সিক্যুয়েলেও অভিনয় করেন মিরনা। এই ব্লকবাস্টার সিনেমায় কেবল পেশাগত সাফল্যই নয়; বরং মিরনা পূরণ করেছেন তার শৈশবের এক কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন। সম্প্রতি বলিউড হার্টথ্রব হৃতিক রোশনের সঙ্গে একই ফ্রেমে কাজ করার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা ভক্তদের সামনে তুলে ধরেন রজনীকান্তের ছেলের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করা মিরনা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হৃতিক রোশনের সঙ্গে শুটিংয়ের একটি ছবি শেয়ার করেন মিরনা। প্রিয় তারকার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পেরে উচ্ছ্বসিত এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘যিনি আমার শৈশবের ক্রাশ, যে নায়ককে দেখে এতদিন মুগ্ধ হয়ে এসেছি—আজ তার সঙ্গে পর্দা ভাগ করে নেওয়ার অনুভূতি সত্যিই স্বপ্নের মতো অসাধারণ!’
শেয়ার করা ছবিতে হৃতিক ও মিরনার একটি যৌথ দৃশ্য দেখা গেলেও, প্রেক্ষাগৃহ বা থিয়েটার সংস্করণে সে দৃশ্যটি শেষ পর্যন্ত রাখা হয়নি। মূলত ‘জেলার ২’ সিনেমায় হৃতিকের ভূমিকাটি একটি হাই-ইমপ্যাক্ট বা চমকপ্রদ অ্যাকশননির্ভর ক্যামিও কেন্দ্রিক। পর্দায় উপস্থিতির সময় তুলনামূলক কম হলেও রজনীকান্ত ও হৃতিককে একসঙ্গে দেখার বিষয়টিই দর্শকদের মধ্যে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পর্দায় রসায়নের পাশাপাশি নেপথ্যে হৃতিকের ব্যক্তিত্বেও মুগ্ধ মিরনা। হলিউড ও বলিউডের সুপারস্টার হয়েও হৃতিকেন মিষ্টি, বিনয়ী ও সরলতায় মুগ্ধ অভিনেত্রী। এতে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বহুগুণ বেড়ে গেছে মিরনার।
উল্লেখ্য, ‘জেলার ২’-এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৮ বছর পর আবারও সিনেমার পর্দায় একত্রিত হলেন রজনীকান্ত ও হৃতিক রোশন। এর আগে ১৯৮৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভগবান দাদা’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে রজনীকান্তের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন হৃতিক। ফলে এই চলচ্চিত্রের ক্যামিওটি দর্শক ও ভক্তদের কাছে এক বিশেষ নস্টালজিয়া তৈরি করেছে।
দক্ষিণী এই মেগা প্রজেক্টে রজনীকান্তের ‘মুথুভেল পান্ডিয়ান’ চরিত্রে প্রত্যাবর্তনই মূল আকর্ষণ হলেও হৃতিক রোশনের উপস্থিতি এবং মিরনার এই আবেগঘন স্মৃতিচারণ ছবিটিকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
সূত্র: ফিল্মফেয়ার
