প্রকাশিত: ২২:২১, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ আপডেট: ২২:২৮, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
সৌদি আরব ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ১ বিলিয়ন ডলারের একটি আর্থিক প্যাকেজ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। ইরানের মধ্যস্থতায় করা এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং সৌদি আরবের ওপর হুথিদের হামলা বন্ধ করা। ইসরায়েলি সংবাদপত্র ‘ইসরায়েল হায়োম’-এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে উপসাগরীয় অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবের লক্ষ্য হলো সৌদি অবকাঠামোর ওপর হুথিদের হামলা পুরোপুরি বন্ধ করা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের তেহরান সফরের সময় এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সফরে ইরান আঞ্চলিক কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালনের প্রস্তাব দেয়। প্রতিবেদনে সৌদি মন্ত্রী ১ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ একটি হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে তেহরানে নিয়ে গিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদনে দাবি করা বিষয় সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি আরব।
তবে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেছে, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি এই জোটের চলমান প্রচেষ্টারই অংশ। এর উদ্দেশ্য হলো বর্তমান সংকটে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমানো, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের পথকে উৎসাহিত করা এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন জোগানো।”
সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র মিত্ররা এই বৈঠকের আয়োজন করেছিল। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কর্মকর্তারা এই বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
