দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো মিলিয়ে প্রচুর ভাল-মন্দ খাওয়াদাওয়া হয়েছে। তেলমশলায় ঠাসা খাবার খেতে খেতে মুখে যেন স্বাদ নেই। এখন একটু হালকা খাবার খেতে ইচ্ছে নিশ্চয়ই? এখন হালকা খাবার খাওয়াই ভাল। শরীরও ভাল থাকবে, সঙ্গে মুখের রুচিও ফিরবে।
এ রকম সময়ে মরিচ ঝোল খুবই কাজে দেয়। প্রায় মশলাবিহীন এই রান্না নিয়মিত খাওয়ার জন্যও ভাল। ঠাকুরবাড়ির রান্না এই নিরামিষ পদে থাকে প্রচুর পরিমাণে সবজি। ফলে বেশ পুষ্টিকর এই পদ। সঙ্গে সহজপাচ্য আর স্বাদেও ভাল। রান্না করাও সহজ কিন্তু। রইল রেসিপি।
উপকরণে মুল জিনিস হল সবজি। বাড়িতে যা যা সবজি রয়েছে— যেমন আলু, পটল, বেগুন, মিষ্টি কুমড়ো, ঝিঙে, সজনে ডাঁটা, পেঁপে, গাজর ইত্যাদি সব কেটে নিয়ে মোটামুটি বড় এক বাটি সব্জি নিতে হবে। লম্বা বা চৌকো, যেমন খুশি কাটতে পারেন সব্জিগুলো। আর লাগবে রাঁধুনি, কালো জিরে, ৪–৫টা কাঁচা লঙ্কা, ২ টেবিল চামচ সর্ষের তেল, ১ চা চামচ ঘি, স্বাদমতো নুন আর ৫০০ মিলি লিটার দুধ।
প্রণালী
প্রথমে কড়াইতে দিয়ে দিন সর্ষের তেল। যদি এতে বেগুন দেন, তবে আগে সেগুলো ভেজে তুলে রাখুন। এ বার ওই তেলেই ফোড়ন দিন চেরা কাঁচা লঙ্কা, ১ চা চামচ রাঁধুনি আর ১ চা চামচ কালো জিরে। ফোড়নের সুগন্ধ বেরোলে দিয়ে দিন আলু। একটু ভাজা হলে একে একে দিয়ে দিন সব সবজি। অল্প নুন দিয়ে সেগুলো ভাজুন। সবজিতে হালকা রং ধরলে আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে সেদ্ধ করুন।
ভাল করে সেদ্ধ হয়ে গেলে তাতে দুধ দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে ফুটতে দিন। সঙ্গে দিয়ে দিন কয়েকটা চেরা কাঁচালঙ্কা। এই রান্নাটা বেশ ঝোল ঝোল হয়, তবে যতটা ঝোল রাখতে চান, সেই মতো রেখে উপর থেকে ঘি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
দুপুরবেলা গরম গরম ভাতের সঙ্গে এই মরিচ ঝোল খাবারের পাতে তৃপ্তি এনে দেবে।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
