Published on
:
1 min read
এই সময়, পানিহাটি: পাঁচ বছর আগের এক নিগ্রহের ঘটনায় অবশেষে শাস্তির খাঁড়া নামল সিপিএমের অন্দরে। পানিহাটির রাস্তায় এক মহিলাকে মারধর ও লাগাতার হুমকির অভিযোগে এক প্রভাবশালী শিক্ষক নেতা ও এক মহিলা নেত্রীকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড করল দল। দলের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির (আইসিসি) রিপোর্টের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটি এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিলেও, ঘটনাকে কেন্দ্র করে আড়াআড়ি বিভক্ত হয়ে পড়েছে উত্তর শহরতলির লাল শিবির।
অভিযোগকারিণী দলের কেউ নন। তাঁর দাবি, ‘রাস্তায় ফেলে মারধরের পর টানা হুমকি দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ পাঁচ বছর কল রেকর্ড ও মেসেজ নিয়ে লড়াই করার পর সুবিচার মিলল।’ তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই দলের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। শিক্ষক নেতার অনুগামীদের ক্ষোভ, স্রেফ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও ক্ষমতার সমীকরণে বলির পাঁঠা করা হয়েছে তাঁদের। এক জেলা নেতার ক্ষোভ, ‘থানায় না গিয়ে কেন শুধু পার্টিতে নালিশ? যে ঘটনায় আগে পদক্ষেপ হয়েছিল, তাতে আবার নতুন সাজা কেন? ২০১১-র পর প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যাঁরা সংগঠন ধরে রেখেছেন, স্তাবক না-হওয়ায় তাঁদেরই টার্গেট করা হচ্ছে।’
পাল্টা যুক্তিতে অনড় বিরোধী শিবির। তাঁদের সাফ কথা, দুর্দিনের দোহাই দিয়ে অনৈতিক কাজ বা শ্লীলতাহানির মতো অপরাধকে আড়াল করলে দলের ক্ষতি আরও বাড়বে। বিতর্ক এড়িয়ে সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক পলাশ দাস বলেন, ‘দলের গঠনতন্ত্র মেনেই সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ, তাই বাইরে এ নিয়ে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।’
