শাড়িকাণ্ডে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে এবার তদন্তে সিআইডি
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ছবি: সংগৃহীত
-->ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন নাহার তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির অভিযোগ তদন্ত শেষে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে নারাজী দিয়েছেন মামলার বাদী।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবি করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য পুনরায় তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলে আদালতে আবেদন দাখিল করেন তিনি।
শুনানি শেষে ঢাকার অ্যাডিশনাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম বাদীর আবেদন মঞ্জুর করেন। এর আগে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান মোতাবেক সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে অধিকতর তদন্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন
আগামী ৩১ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীর আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায়।
রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত সানায়া কুটর ফ্যাশন হাউজের স্বত্বাধিকারী সানায়া চৌধুরী গত বছরের ২৭ নভেম্বর আদালতে নালিশী (সিআর) মামলাটি করেছিলেন।
২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর, তানজিন তিশা একটি অনুষ্ঠানে পরার জন্য তার সাবেক ড্রাইভারের মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে একটি শাড়ি নেন। যার মূল্য ছিল ৭৫ হাজার টাকা। পরদিনই সেটি ফেরত দেওয়ার কথা ছিল। তবে, তা আর ফেরত দেওয়া হয়নি বলে বাদী মামলার আরজিতে উল্লেখ করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ ছয়মাস তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ মে প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জাকারিয়া আলম।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার বাদী ও বিবাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।
এম এ জলিল উজ্জ্বল/এএফ
আরও পড়ুন
দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে দিলীপ আগরওয়ালা
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। ছবি: সংগৃহীত
-->ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দ্বিতীয় দফায় আবারও দুই দিন রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
প্রথম দফায় মঞ্জুর করা চার দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া।
আরও পড়ুন
আবেদনে বলা হয়, মামলার ঘটনা সম্পর্কে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আসামিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তাকে পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।
এর আগে গত ২১ অক্টোবর এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছিল।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিএনএস সেন্টারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন আ. জব্বার। ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। সুস্থ হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে গত বছরের ২৭ মার্চ তিনি এ মামলা করেন।
গত ১৯ অক্টোবর রাজধানীর বনানী থেকে তাকে আটক করা হয়। পরদিন গুলশান থানার অর্থ পাচার মামলায় তাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে এ নিয়ে পরপর দুই দফায় রিমান্ডে নেওয়া হলো।
২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। সে সময় জুলাই আন্দোলনের একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে গত বছরের ১ অক্টোবর তিনি কারামুক্ত হন।
জলিল উজ্জ্বল/রিফাত/
আরও পড়ুন
জামালপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
আদালত প্রাঙ্গণে দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া। ছবি: সংগৃহীত
-->জামালপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া (২৭) নামে এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাচঁ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোরব) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহিম এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বাসিন্দা।
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ি মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ ও মাদরাসায় ইমাম মুছা মিয়া ওই এলাকার ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে মক্তব পড়ানোর কথা বলে একটি কক্ষে নিয়ে কৌশলে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। আজ দুপুরে মামলার ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির উপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ফজলুল হক ও আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন জাফরউল্লাহ।
আসমাউল আসিফ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
সুপ্রিম কোর্টে দুদকের বিচারাধীন মামলা বাড়ছে
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সুপ্রিম কোর্টে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার নিষ্পত্তির চেয়ে নতুন মামলা দায়েরের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে দুদকসংশ্লিষ্ট ৪৭৪টি মামলা দায়ের হয়েছে। একই সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছে ৪২৮টি। ফলে ৯ মাসে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বেড়েছে ৪৬টি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের দুই বিভাগে মোট ৪ হাজার ৮৩৬টি মামলা বিচারাধীন ছিল। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৭৯০টি।
দুদকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে হাইকোর্ট বিভাগে ৪ হাজার ৫৭টি এবং আপিল বিভাগে ৭৩৩টি মামলা বিচারাধীন ছিল। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে হাইকোর্ট বিভাগে নতুন করে ৪০০টি এবং আপিল বিভাগে ৭৪টি মামলা দায়ের হয়। একই সময়ে হাইকোর্ট বিভাগে ৩২৭টি এবং আপিল বিভাগে ১০১টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।
হাইকোর্ট বিভাগে দুদকসংশ্লিষ্ট বিচারাধীন মামলার মধ্যে রয়েছে রিট, ক্রিমিনাল মিসকেস, ক্রিমিনাল আপিল ও ক্রিমিনাল রিভিশন। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন ৪ হাজার ৫৭টি মামলার মধ্যে রিট ছিল ৮০৩টি, ক্রিমিনাল মিসকেস ১ হাজার ৩২টি, ক্রিমিনাল আপিল ১ হাজার ৪০১টি এবং ক্রিমিনাল রিভিশন ৮২১টি।
আরও পড়ুন
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের হওয়া ৪০০টি মামলার মধ্যে ১৮৪টি ছিল জামিনসংক্রান্ত। বাকি ২১৬টি ছিল রিট, ক্রিমিনাল মিসকেস, রিভিশন ও আপিলসংক্রান্ত। এ সময়ে নিষ্পত্তি হওয়া ৩২৭টি মামলার মধ্যে ১৪৮টি ছিল জামিনসংক্রান্ত এবং বাকি ১৭৯টি ছিল রিট, ক্রিমিনাল মিসকেস, রিভিশন ও আপিলসংক্রান্ত।
অন্যদিকে গত বছরের ডিসেম্বর শেষে আপিল বিভাগে বিচারাধীন ৭৩৩টি মামলার মধ্যে রিটসংক্রান্ত মামলা ছিল ১৭০টি, ক্রিমিনাল মিসকেস ২৬৭টি, ক্রিমিনাল আপিল ১৪২টি এবং রিভিশনসংক্রান্ত মামলা ১৫৪টি। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে আপিল বিভাগে নতুন করে ৭৪টি মামলা দায়ের হয়। একই সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছে ১০১টি মামলা।
এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘দুদকের প্রসিকিউশন টিম সাধ্যমতো তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নিষ্পত্তি হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে দুদকের পক্ষে আদেশের হার বেশি। গত ৯ মাসে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে মোট মামলার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দুদকের পক্ষে আদেশের হার ৫৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।’
আরও পড়ুন
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়ালা রিমান্ডে
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
দিলীপ কুমার আগরওয়াল। ছবি: সংগৃহীত
-->ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালের বিরুদ্ধে করা অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রাজধানীর গুলশান থানায় গত বছরের নভেম্বরে দায়ের করা এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক মো. আশরাফুল হাসান তিনদিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, স্বর্ণ ও হীরা বিক্রির আড়ালে চোরাকারবার ও অর্থপাচারের সত্যতা নিরূপণ, উৎস সন্ধান করতে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
আদালতে রাষ্টপক্ষের পর রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনের বিরোধিতা করে আসামির আইনজীবী।
শুনানি শেষে রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী থেকে দিলীপ আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরেও তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। একাধিক হত্যা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এক বছরের বেশি সময় পর কারামুক্ত হয়ছিলেন।
জলিল উজ্জ্বল/রিফাত/
