বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শিল্পায়নের সম্ভাবনা নিয়ে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে প্রায় ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ, উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং সহজ শর্তে ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখার আলোচনা তার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গাড়ি উৎপাদন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, সার উৎপাদন ও উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণও সফরের অন্যতম লক্ষ্য।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের এই সফর করছেন তারেক রহমান। গত রোববার রাত ১২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তার ফ্লাইট নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাকাসোনে ইয়াসুতাকা। পরে আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীকে টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে নেওয়া হয়। সফর শেষে আগামী বৃহস্পতিবার তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অর্থনীতি, বিনিয়োগ, কূটনীতি, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি সফরের অর্থনৈতিক গুরুত্বকে তুলে ধরে।
সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
এ ছাড়া রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দীকী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তারাও সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।
পাঁচ বছরে ৬৩৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগ উদ্যোগ: জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়ার ২২ অক্টোবরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে এক লাখ কোটি ইয়েন বা প্রায় ৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের ব্যবস্থা করার বিষয়ে জাপানের উদ্যোগ রয়েছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় গাড়ি ও অন্য উৎপাদনশিল্প এবং জ্বালানি অবকাঠামো খাত গুরুত্ব পেতে পারে।
বাংলাদেশে জাপানের সংশ্লিষ্টতায় গড়ে ওঠা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এই বিনিয়োগ উদ্যোগের ঘোষিত পরিমাণকে ইতোমধ্যে সম্পন্ন বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। পরিকল্পনাটি কতটা বাস্তবায়িত হবে, কোন খাতে কত অর্থ আসবে এবং কী সময়সীমায় প্রকল্পগুলো কার্যকর হবে, তা চুক্তি ও পরবর্তী আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।
আইসিটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও উৎপাদনশিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান: সোমবার (২৬ অক্টোবর) টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) সভাপতি এবং মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে বৈঠকে বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনশিল্পে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এসব খাতে বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে।’ বিনিয়োগ অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ করা, নিয়ন্ত্রক সংস্কার এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে জাপানি ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনের উন্নয়নে জেবিসিসিইসি ও মারুবেনি করপোরেশনের সহযোগিতা চাওয়া হয়। পাশাপাশি কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশে দ্বিতীয় একটি সার কারখানা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে জাপানের সহায়তা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
মাসুমি কাকিনোকি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের বাণিজ্য বাড়বে, জাপানি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসায়ুকি ওমোর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়েছিল। সেখানে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
জাইকার সঙ্গে ঋণসহায়তা ও উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা: সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেইসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। চলমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার পাশাপাশি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখা এবং কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের জ্বালানি চাহিদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত বছরের মতো বাজেট সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান দক্ষতা উন্নয়ন অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী প্রতিষ্ঠা, কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। জাইকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সমৃদ্ধি অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আজ মঙ্গলবার শীর্ষ বৈঠক, থাকছে একাধিক কর্মসূচি: আজ মঙ্গলবার জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণা প্রকাশ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সফরকালে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়েও আলোচনা চলছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বঘোষিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা হয়েছে; এর মধ্যে কয়েকটি চুক্তি চূড়ান্ত করার কাজ চলছিল।
সফরের অন্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রেসিডেন্ট এবং বিভিন্ন জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক। মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন ও জেরা-সহ বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন। সফরসূচিতে চিবা অঞ্চলের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর প্রধান কার্যালয় এবং নাগোয়া শহরের টয়োটা মোটর করপোরেশনের মোটোমাচি কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে। এসব কর্মসূচির লক্ষ্য জাপানের শিল্প ও জ্বালানি খাতের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া এবং সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করা।
ইপিএ বাস্তবায়ন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে গুরুত্ব: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। চুক্তিটির কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
একই সঙ্গে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা, স্থানীয় কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। এতে বিনিয়োগের সুফল শুধু মূলধন প্রবাহে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশীয় শিল্পের দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য জাপানের সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অবকাঠামো উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন। ঢাকা মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বড় প্রকল্পে জাপানের সহযোগিতা রয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুই দেশের অংশীদারত্বের ভিত্তি তৈরি করেছে।
দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সামনে নতুন অর্থনৈতিক লক্ষ্য: ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। অবকাঠামো, যোগাযোগ, জ্বালানি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা রয়েছে। বর্তমান সফরে সেই সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করে বেসরকারি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
