সাবমেরিন ক্যাবলসের নতুন এমডি তারঘীবুল ইসলাম
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসির (বিএসসিপিএলসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিসিএস (টেলিকম) ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের তারঘীবুল ইসলাম। কর্মজীবনে তিনি সরকারি ও বেসরকারি খাতে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে ২৮ বছরের অধিক পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিএসসিপিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদানের আগে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে মহাব্যবস্থাপক (চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএসসিপিএলসিতে যোগদানের আগে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর এস্টাবলিশিং ন্যাশনাল একাডেমি ফর অ্যাডভান্সড টেলিকম রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনএএটিআরটি) অ্যান্ড আইটিইউ রিকগনাইজড টেলিকম টেস্টিং ল্যাবস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তারঘীবুল ইসলাম টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডে নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং, করপোরেট স্ট্র্যাটেজি এবং কোম্পানি সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘সাসেক ইনফরমেশন হাইওয়ে’ প্রকল্পে প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে তিনি একটি শীর্ষস্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরে সহকারী ব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি মোবাইল টেলিযোগাযোগ, টেরেস্ট্রিয়াল টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, করপোরেট কৌশল এবং টেলিযোগাযোগ নীতি বিষয়ে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তারঘীবুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই) বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ এবং অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন থেকে পাবলিক পলিসি ও ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স অব আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই) থেকে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল (পিএমপি) সনদপ্রাপ্ত।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
লন্ডনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘চট্টগ্রাম উৎসব’
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ছবি: এআই
-->চট্টগ্রামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে যুক্তরাজ্যে তুলে ধরা এবং প্রবাসী চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি জোরদার করার লক্ষ্যে আগামী ১ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের রমফোর্ডে অনুষ্ঠিত হবে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’। রমফোর্ডের মেফেয়ার হলে এ উৎসব আয়োজন করা হবে।
উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, চট্টগ্রাম ১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ানের।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত থাকবেন সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি ও এটিএন বাংলার ডেপুটি ইনচার্জ মো. মনজুর কাদের এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি।
উৎসবকে সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উৎসব কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী রেজা সাংস্কৃতিক ও কমিউনিটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলী রেজা আরও বলেন, চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬-এর যথাযথ সাফল্যের লক্ষে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আয়োজন নয়; এটি চট্টগ্রামবাসীর সম্মিলিত ঐতিহ্য, পরিচয় ও গৌরবের উৎসব। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
আয়োজকরা আরও জানান, চট্টগ্রামের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিজ শিকড়ের সংযোগ আরও শক্তিশালী করাই উৎসবের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের জন্যও এ উৎসব একটি কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
চট্টগ্রাম উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাজ্যে কার্যরত বিভিন্ন চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির বিভিন্ন অংশকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। পারস্পরিক সহযোগিতা, মতবিনিময় ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও ইতিবাচক কমিউনিটি গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম উৎসবকে আরও বৃহৎ পরিসরে, উন্মুক্ত মাঠে এবং আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজন করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী উপাদান যথাযথ মর্যাদায় উৎসবের অংশ হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আয়োজনে, শিল্পী, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক, সংগঠক কিংবা দর্শনার্থী—যে ভূমিকাতেই থাকুন না কেন, সবার অংশগ্রহণেই এ উদ্যোগ আরও সমৃদ্ধ হবে। তাই যুক্তরাজ্যের সব চট্টগ্রামভিত্তিক সংগঠন, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, তরুণ প্রজন্ম এবং সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।
চট্টগ্রাম উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সব সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, অনলাইন নিউজ পোর্টালের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত উদ্যোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের মাধ্যমে চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬ একটি মর্যাদাপূর্ণ, সর্বজনীন ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হবে।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
আন্তর্জাতিক মানের আয়োজনে ‘হাল ফ্যাশন’ ও ‘এনেক্স’-এর কৌশলগত চুক্তি
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
ছবি: বিজ্ঞপ্তি
-->দেশের সর্ববৃহৎ ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্ম হাল ফ্যাশন এবং বিজ্ঞাপনী সংস্থা এনেক্স কমিউনিকেশন্স লিমিটেড কৌশলগত অংশীদারত্বে যুক্ত হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশের ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও মিডিয়া খাতে সৃজনশীল উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং নতুন সম্ভাবনা তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এই অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই সহযোগিতার মাধ্যমে দেশজুড়ে নিজেদের কার্যক্রম ও কন্টেন্টের পরিসর বাড়ানো, আরও বৃহত্তর দর্শক-শ্রোতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে দুই প্রতিষ্ঠানের। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত ভোক্তাদের রুচি, আগ্রহ ও জীবনযাপনের ধরনকে গুরুত্ব দিয়ে এই উদ্যোগে ফ্যাশন ও ব্যক্তিগত সাজসজ্জার পাশাপাশি খাদ্য ও পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা, ত্বকের যত্ন, ব্যক্তিগত পরিচর্যা, গৃহসজ্জা, পোষা প্রাণী এবং জলবায়ু ও গাছপালা পরিচর্যার মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হবে।
সমসাময়িক জীবনধারা ও মানুষের বহুমুখী আগ্রহের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্যবহুল, আকর্ষণীয় ও প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট তৈরি করে এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানের ফ্যাশন শো, বড় পরিসরের আয়োজন, রিয়ালিটি শো, বিষয়ভিত্তিক পডকাস্ট, বিশেষ অনুষ্ঠান, ডিজিটাল কন্টেন্ট এবং ম্যাগাজিন প্রকাশনাসহ বিভিন্ন উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি সৃজনশীলতার বিকাশ, নতুন প্রতিভা বিকশিত করা এবং বাংলাদেশের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল অঙ্গনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সৃজনশীল প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের সঙ্গে সহযোগিতার সুযোগও অনুসন্ধান করা হবে।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি, অর্থবহ আলোচনা উৎসাহিত করা এবং তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীল অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির বিষয়েও বিশেষ উরুত্ব দেওয়া হবে এই অংশীদারত্বে।
চুক্তিতে এনেক্স কমিউনিকেশন লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শরীফ সাব্বির এবং হাল ফ্যাশন পক্ষে পরামর্শক এস কে সাইফুর রহমান স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানটি বক্তব্য দিয়ে শুরু করেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ। অনুষ্ঠানটিতে আরও উপস্থিত ছিলেন দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে তারা যৌথ লক্ষ্য, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যতের সহযোগিতামূলক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
দেশে প্রথমবারের মতো নিজেদের মাইক্রোওয়েভ ওভেন আনল হায়ার বাংলাদেশ
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নতুন প্রিমিয়াম টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটার এবং দেশে প্রথমবারের মতো নিজেদের মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সিরিজ বাজারে এনেছে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেড।
সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে হায়ারের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে পণ্যগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।
নতুন এই সিরিজ দেশের বাজারে হায়ারের পণ্যতালিকায় সর্বশেষ সংযোজন। স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্যের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় পরিবারের জন্য আরও নিরাপদ, স্মার্ট ও সুবিধাজনক গৃহস্থালি সমাধান দেওয়ার লক্ষ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
‘শকপ্রুফ ওয়াটার হিটার, সেফ অ্যাজ আনপ্লাগড’ ধারণাকে সামনে রেখে তৈরি টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটারে রয়েছে উন্নত হিটিং প্রযুক্তি ও সুপার টাইটানিয়াম এনামেল ট্যাংক। সিরিজটিতে রয়েছে প্রিমিয়াম গোল্ডেন ফিনিশের ৩৫ ও ৪৫ লিটারের হরাইজন্টাল এবং ৩০ লিটারের ভার্টিক্যাল মডেল। ‘নো হ্যাংগিং, নো ড্রিলিং’ সুবিধা থাকায় ৩০ লিটারের ভার্টিক্যাল মডেলের ওয়াটার হিটার স্থাপনে প্রচলিত পদ্ধতিতে ওয়াল মাউন্টিং বা দেয়ালে ড্রিলিংয়ের প্রয়োজন হয় না। ফলে বাড়তি কোনো ঝামেলা ছাড়াই নিজেদের সুবিধামতো যেকোনো স্থানে এটি বসানো যায়।
পাশাপাশি, হায়ার বাজারে এনেছে তিন ধরনের মাইক্রোওয়েভ ওভেন ২০ লিটারের সোলো, ২৩ লিটারের গ্রিল এবং ৩০ লিটারের কনভেকশন মডেল। এর মধ্যে ৩০ লিটারের ফ্ল্যাগশিপ মডেলটিতে মাইক্রোওয়েভ, গ্রিল, কনভেকশন ও এয়ার ফ্রাইয়ের সুবিধা থাকায় একই ওভেনে বিভিন্ন ধরনের রান্না করা যাবে। এতে একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ও বিভিন্ন পদের খাবার তৈরির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
নতুন এই পণ্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে হোম অ্যাপ্লায়েন্সের আরও বিস্তৃত পরিসর নিয়ে এসেছে হায়ার বাংলাদেশ। ভবিষ্যতেও বিশ্বজুড়ে উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে স্থানীয় গ্রাহকদের চাহিদার সমন্বয় করে আরও উন্নত ও ব্যবহার-উপযোগী পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
একই সঙ্গে, গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার মাধ্যমে স্মার্ট ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চায় হায়ার।
বিজ্ঞপ্তি/রিফাত/
আরও পড়ুন
ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকায় বিশেষ আয়োজন
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
ছবি: বিজ্ঞপ্তি
-->ব্রেস্ট ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে উৎসাহিত করতে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকায় একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে হাসপাতালের নারী কর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি, প্রাথমিক লক্ষণ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডা. রত্নদীপ চাস্কার ও গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ; এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. ফেরদৌস শাহরিয়ার সাঈদ ও কনসালট্যান্ট ডা. কাজী আব্দুল্লাহ আরমান; রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য; ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আরমান রেজা চৌধুরী; জেনারেল অ্যান্ড ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এস. এম. আবু জাফর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন; প্লাস্টিক, রিকন্সট্রাকটিভ অ্যান্ড কসমেটিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক (ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) ডা. মাসরুর হাসান; নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের
কোর্ডিনেটর অ্যান্ড সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ ফজলুল কবির ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর ডা. রায়হান হুসেইন; ল্যাব মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. এস এম মাহবুবুল আলম, ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম এবং একই বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদ জহিরুল আলম।
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. ফেরদৌস শাহরিয়ার সাঈদ বলেন, “স্তন ক্যানসারের চিকিৎসায় রোগের ধরন ও পর্যায় অনুযায়ী সার্জারি, কেমোথেরাপি, হরমোন থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, রেডিওথেরাপি এবং অন্যান্য চিকিৎসাপদ্ধতির প্রয়োজন হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা করা সহজ হয়। তাই স্তন ক্যানসার নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করা, প্রয়োজনীয় তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং নারীদের চিকিৎসকের
পরামর্শ নিতে উৎসাহিত করা জরুরি।”
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, “স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো রোগ শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্তনে নতুন কোনো চাকা, আকার বা ত্বকের পরিবর্তন কিংবা নিপল থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।”
এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, “নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক সময় পারিবারিক ও পেশাগত দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারেন না। আমরা চাই, নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এভারকেয়ার হসপিটালস রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবা এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা স্তন ক্যানসারের বিভিন্ন ঝুঁকি, প্রাথমিক লক্ষণ, রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি এবং চিকিৎসার বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা করেন।
তারা জানান, স্তনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় উপস্থিত নারী কর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা স্তন ক্যানসার সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ নেন।
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সমন্বিত চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছে। ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা মাসে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরতে কাজ করছে হাসপাতালটি।
বিজ্ঞপ্তি/
