দিল্লির রামলীলা ময়দানে আগামী ১ নভেম্বর বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রস্তাবিত মেগা সমাবেশ স্থগিত করার জন্য গত সপ্তাহে অনুরোধ জানিয়েছেন দিল্লির ব্যবসায়ীরা। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী সোমবার দিল্লির ব্যবসায়ীদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি ‘ভোটচুরি’ এবং এসআইআর-অনিয়মে অভিযুক্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে উদ্যোগী হন, তবে দেশ জুড়ে সমস্ত বিক্ষোভ বন্ধ হয়ে যাবে।
দীপাবলি এবং ধনতেরাসের মতো উৎসবের মরসুমে এই সমাবেশের কারণে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে আশঙ্কা করে দিল্লির ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (সিটিআই) বিরোধী নেতাদের কাছে সমাবেশটি স্থগিত করার আবেদন জানিয়েছিল। তার জবাবে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে রাহুল লিখেছেন, ‘‘মোদীজিকে বলুন, ৪ নম্বর অভিযুক্ত জ্ঞানেশ কুমারকে বরখাস্ত করতে। তা হলে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই এই বিক্ষোভ বন্ধ হয়ে যাবে।”
‘ভোটচুরি’তে ১, ২ এবং ৩ নম্বর অভিযুক্ত কারা, সে বিষয়ে কিছু লেখেননি রাহুল। তবে এর আগে তাঁর পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে প্রথম তিন অভিযুক্তের তালিকায় মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ছবি দেখা গিয়েছে। সোমবার সমাজমাধ্যম পোস্টে বিরোধী জোটের আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে গিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, ‘‘যখন সাধারণ মানুষের ভোট চুরি হয়ে যায়, তখন কোনও কিছুই আর নিরাপদ থাকে না— না আপনাদের দোকান, না সঞ্চয়, আর না আপনাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ।’’ সেই সঙ্গে তাঁর বার্তা, ‘‘দিল্লির প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে জানাতে চাই, আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি এবং আপনাদের কথা শুনছি। কিন্তু মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে, রাস্তা সিল করে রাজধানীতে লকডাউন পরিস্থিতি তৈরি করার নির্দেশ এই সরকারই দিয়েছে।’’
