নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: খনি অঞ্চলে উৎকণ্ঠার অবসান। মঙ্গলবার ভোরে কোলিয়ারির ডুলিতে আটকে থাকা সব শ্রমিককে উদ্ধার করল ইসিএল কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে, এদিন ভোর পাঁচটা নাগাদ প্রত্যেক শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় পাণ্ডবেশ্বর থানার কুমারডিতে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় একটি ডুলি করে ৮ জন শ্রমিক ভূগর্ভস্থ কোলিয়ারিতে নামছিলেন। কোলিয়ারি থেকে কাজ করে ৬ জন শ্রমিক উপরে উঠে আসছিলেন। তখনই যান্ত্রিক বিভ্রাটে সুড়ঙ্গের প্রায় ২০০ ফুট গভীরে ডুলি দু’টি থমকে যায়। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ডুলিতে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে রাতেই ওয়াকিটকি পাঠানো সম্ভব হয়। তাতে যোগাযোগ রাখেন সহকর্মী ও অন্যরা। শুকনো খাবার ও পানীয় জল পাঠানো হয়। ১২ ঘণ্টা ডুলির ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় ছিলেন শ্রমিকরা। এদিকে, দ্বিতীয় কোনো পথ না থাকায় খনিগর্ভে কর্মরত আরো ৪০ জন শ্রমিকও আটকে পড়েন। ডুলি স্বাভাবিক হওয়ার পরে তাঁদেরকেও সুরক্ষিতভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
মাঝপথে ডুলি থমকে যাওয়ার ঘটনায় ইসিএল কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবকেই দায়ী করছেন সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে বলেন, ‘পর্যবেক্ষণের অভাবেই এই ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।’ ঘটনাস্থলে গিয়েছেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারিও।
