রেললাইনে হাঁটার সময়ে মৃত ৩ ছবি: X
Published on
:
2 min read
রেললাইন ধরে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু হলো ৩ যাত্রীর। সোমবার মুম্বইয়ের ঘাটকোপর ও ভাণ্ডুপ স্টেশনের কাছে এই ঘটনা ঘটেছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, কঞ্জুরমার্গ স্টেশনে আগুন লাগার ফলে প্রায় ৮০টি ট্রেন বাতিল করা হয়। বাধ্য হয়ে রেললাইন ধরে হাঁটতে শুরু করেন যাত্রীদের একাংশ। তখনই ট্রেনের ধাক্কায় তিন জনের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে।
মুম্বই রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, কঞ্জুরমার্গ স্টেশনে আগুন লাগায় ঠানে–ভিখরোলি শাখার সিগন্যালিং সিস্টেম অচল হয়ে যায়। তার উপরে মুলুন্ড–ঠানে শাখার ওভারহেড তারে যান্ত্রিক গোলযোগ ধরা পড়ে। সব মিলিয়ে জটিল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ছ’টি লাইনে প্রায় ২৪টি সিগন্যাল বিকল হয়ে যায়। বাতিল করা হয় প্রায় ৮০টি লোকাল ট্রেন। ব্যাহত হয় দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলও।
এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে বিপাকে পড়েন বহু যাত্রী। আপ ও ডাউন—দু’দিকেই বহু ট্রেন আটকে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও ট্রেন না চলায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে লাইনে নেমে পরবর্তী স্টেশনের দিকে হাঁটতে শুরু করেন যাত্রীদের একাংশ। তাতেই ঘটে বিপত্তি। ঘাটকোপর-ভিখরোলি শাখা থেকে দু’জনের এবং ভাণ্ডুপ থেকে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে মৃতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
লাইনের কাজ এখনও চলছে বলে জানিয়েছেন রেল আধিকারিকরা। সোমবার সন্ধ্যায় একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চারটি লাইনের মধ্যে তিনটিতে ট্রেন চলাচল ফের শুরু হয়েছে। যাত্রীদের রেললাইনে না নামার আবেদনও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। রবিবারই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সেন্ট্রাল রেলওয়েতে ‘মেগা ব্লক’ নিয়েছিল রেল। তার পরের দিনই এমন বড়সড় প্রযুক্তিগত বিপর্যয় কী ভাবে ঘটল, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীদের একাংশ।
অন্য দিকে, ভাণ্ডুপে লোকাল ট্রেনের ধাক্কায় সাহিল থিত (২১) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধাক্কা লাগার পরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে লোকাল ট্রেনটি সাহিলকে ঘষটাতে ঘষটাতে নিয়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিশ। পরে তাঁকে আগরওয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সাহিলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
