বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছেন অথবা শুটে রয়েছেন কিংবা শরীর ভাল নেই। তখন নায়িকারা কী খান? কেউ বলবেন, সুপারফুড, কেউ বলবেন রাঁধুনির বানিয়ে দেওয়া কেতাদুরস্ত পথ্য, কেউ বা বলবেন, উপবাসই করেন বোধ হয়। কিন্তু সাধারণের যাপনের থেকে খুব একটা পার্থক্য নেই সোনালি বেন্দ্রের জীবন। যে কোনও পরিস্থিতিতে একটি খাবার পেলেই তিনি খুশি। কী সেটি?
সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের পছন্দের খাবারের কথা বলতে গিয়ে সোনালি জানান, মুগ ডালের খিচুড়ির সঙ্গে ঘি আর লেবুর আচার তাঁর চাই-ই চাই। বিশেষ করে মিষ্টি লেবুর আচার দিয়ে খিচুড়ি খেতে তাঁর খুব ভাল লাগে। নায়িকার কথায়, ‘‘শরীর খারাপ হলে, মনখারাপ থাকলে অথবা ক্লান্ত থাকলে, খিচুড়ি চাই আমার।’’ কিন্তু সফরের সময়ে নিজের পছন্দমতো খিচুড়ি খুঁজে পাওয়া অবশ্য বেশ কঠিন। কোথাও ভারতীয় খাবারের রেস্তরাঁ পেলে তিনি নিজের পছন্দমতো খিচুড়ি বানিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তা ছাড়াও মাছের ঝোলও তাঁর বড় প্রিয়।
সোনালি বেন্দ্রের পছন্দের খাবার। ছবি: সংগৃহীত
খিচুড়িকে সাধারণত পথ্য হিসেবে দেখেন অনেকে। সোনালির জীবনেও পথ্যের তালিকায় রয়েছে এই পদটি। কিন্তু যত্ন করে তৈরি করলে এই সাদামাঠা পদটি বেশ সুস্বাদু হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি, পুষ্টির ভাল উৎসও বটে এটি। চাল ও ডালের মিশ্রণে শরীর কার্বোহাইড্রেট এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিন পায়। চাল ও ডালের পুষ্টিগুণ একে অন্যের পরিপূরক হওয়ায়, একসঙ্গে খেলে প্রোটিনের গুণমানও উন্নত হয়।
খিচুড়িতে গাজর, কড়াইশুঁটি, পালংশাক, লাউ কিংবা বিন্সের মতো সব্জি যোগ করলে বাড়ে ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজের পরিমাণ। হলুদ, জিরে, আদা ও হিংয়ের মতো মশলা দিলে অতিরিক্ত তেল-নুন ব্যবহার না করেও খাবারের স্বাদ বাড়াতে পারে। ফলে সাধারণ খিচুড়িকেও নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পুষ্টিকর করে তোলা সম্ভব।
শরীর খারাপ থাকলে খিচুড়িতেই যেন আরাম মেলে। বিশেষ করে, খিদে কমে গেলে বা ভারী খাবার খেতে ইচ্ছে না করলে ভাল ভাবে রান্না করা খিচুড়ি খাওয়া তুলনায় সহজ হতে পারে। ভাজাভুজি বা অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবারের বদলে হালকা খিচুড়ি বেছে নিতে পারেন অনেকে। তা হজম করা সহজ, পেটও ভরে। তাই আর পাঁচজনের মতো সোনালিও খিচুড়ির প্রতি নির্ভরশীল।
