গাজীর পীর হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে যে ঘটনাগুলো রয়েছে তাতে দেখা যায়, গাজী বীর যোদ্ধা, যিনি ধর্মের প্রসারের জন্য অন্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন। পাশাপাশি অলৌকিক কেরামতির সাহায্যে বিপদাপন্ন মানুষকে সাহায্য করেন।
বাঙালির বিশ্বাস ব্যবস্থায় পীর প্রত্যয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত। বাংলায় ইসলাম ধর্ম প্রচারে নিয়োজিত সুফিবাদী সাধক-দরবেশরা তাদের ভক্তদের মধ্যে পীর হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, কখনো আবার কোনো শাসক, যোদ্ধা বা সেনাপতিও কালক্রমে পীর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাদের মাজার, খানকা বা দরবারকেন্দ্রিক বিভিন্ন সংস্কৃতিরও প্রচলন ঘটেছে। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস পীরের অলৌকিক কিছু ক্ষমতা থাকে, যার মাধ্যমে ভক্তরা জাগতিক এবং আধ্যাত্মিকভাবে উপকৃত হতে পারে। কখনো কখনো পীরের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে— পীরের জীবনের নানা ঘটনা অবলম্বনে লৌকিক-অলৌকিকের মিশ্রণে- পীরের জীবনী রচিত হতে দেখা যায়, যা সাধারণত পীর সাহিত্য হিসেবে পরিচিত। কখনো আবার পীরের জীবনী গানের মধ্য দিয়ে পরিবেশনা এবং পীরকেন্দ্রিক নানা আচার-অনুষ্ঠান পালিত হতে দেখা যায়। বাংলাদেশে সর্বজনবিদিত এমন একজন পীর হলেন গাজী, তার সহচর কালুর নামও তার সঙ্গে উচ্চারিত হতে দেখা যায় যিনি নিজেও একজন পীর। গাজীর কীর্তি-কথা ও প্রসিদ্ধি বর্ণনা করে রচিত হয়েছে গাজী কালু চম্পাবতী আখ্যান, এখন পর্যন্ত খোদাবখশ, হালুমীর, আব্দুর রহিম ও আবদুল গফুরের নামে গাজী কাহিনীর একাধিক লিখিত নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া গাজীর গান, গাজীর গীত, গাজীযাত্রা, গাজীর পট নামে মৌখিক পরিবেশনার দৃষ্টান্ত বর্তমান সময়েও দেখা যায়। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে জীবন্ত পরিবেশন শিল্প হিসেবে এ গাজীর গান এখনো গ্রামাঞ্চলে টিকে আছে।
এক.
গাজী কালু চম্পাবতী আখ্যানে বাদশা সেকন্দরের ঔরসজাত দ্বিতীয় পুত্র বড় খাঁ গাজী সিংহাসন, রাজ-ঐশ্বর্য ত্যাগ করে ফকিরের জীবন বেছে নিয়েছিলেন ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে। ভক্তদের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন জিন্দা পীর হিসেবে। গাজী শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী ইসলামের জন্য যে যুদ্ধ করে’, এছাড়া ধর্মযুদ্ধে বিজয়ী যোদ্ধাকে গাজী বলে অভিহিত করা হয়। ইতিহাসে গাজী নামে একাধিক পীর বা পীরতুল্য ব্যক্তির উপস্থিতি লক্ষ করা যায়, যাদের মধ্যে কেউ যোদ্ধা বা সেনাপতি, কেউ আবার শাসক, কেউ কেউ আবার সাধক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গাজী উপাধিধারী একাধিক ঐতিহাসিক ব্যক্তির উল্লেখ ইতিহাসে পাওয়া যায়, যেমন জাফর খান গাজী, শাহ ইসমাঈল গাজী, মোবারক গাজী প্রমুখ।
তবে এদের নির্দিষ্ট কোনো একক ব্যক্তিকে কাব্যের নায়ক গাজী হিসেবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা কঠিন। প্রথমত, সাহিত্য বাস্তব নয়, বাস্তবের প্রতিফলন মাত্র, তাই কোনো আখ্যানকে সাহিত্য হয়ে উঠতে হলে তার দেশকাল নিরপেক্ষ একটি রূপ নির্মাণের প্রয়োজন পড়ে। ফলে সাহিত্যতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে কাব্যের নায়ক গাজী পীরকে ইতিহাসের বিশেষ কোনো ব্যক্তিকে নির্ধারণ করা যৌক্তিক হবে না। আবার কোনো কবি বা লেখক তার অভিজ্ঞতার বাইরে কিছু রচনা করেনও না, তাহলে গাজী পীর-সংক্রান্ত ঘটনা সম্পূর্ণ অবাস্তব—সেটাও বলা যাচ্ছে না।
দুই.
গাজীর পীর হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে যে ঘটনাগুলো রয়েছে তাতে দেখা যায়, গাজী বীর যোদ্ধা, যিনি ধর্মের প্রসারের জন্য অন্য ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন। পাশাপাশি অলৌকিক কেরামতির সাহায্যে বিপদাপন্ন মানুষকে সাহায্য করেন। কাব্যে দেখা যায়, গাজীর জন্ম হয়েছে বিশেষ উদ্দেশ্যে। কবি জানিয়েছে, পৃথিবীতে জঙ্গ রাজা ও মটুক রাজা নামে দুজন কাফের রয়েছে যারা নবির ধর্ম অগ্রাহ্য এবং যারা নবির ধর্ম অনুসরণ করে তাদের অত্যাচার করে। বাদশা সেকন্দরের জ্যেষ্ঠপুত্র জঙ্গ রাজাকে পরাজিত করে তার কন্যা পাচতোলাকে বিয়ে করবে এবং ‘ছোট পুত্র হবে উহার নাম বড় খাঁ গাজী। ব্রাহ্মণ নগর তুড়িবে দিয়া দাগাবাজি। মারিয়া করিবে লোক সব তব ধন্যা। জিনিঞা করিবে বিভা চম্পাবতী কন্যা।’
অর্থাৎ ধর্মযোদ্ধা হিসেবেই গাজীর আগমন ঘটবে এমনটা কাব্যের প্রথমেই বলা হয়েছে। এদিক থেকে সত্যপীর, মানিক পীর বা পীর একদিল শাহর সঙ্গে গাজীর বড় পার্থক্য হলো অন্য পীরেরা হিন্দু-মুসলমানের মিলনদূত হয়ে উঠলেও গাজীকে ইসলাম ধর্মের দৃঢ় প্রচারক হিসেবেই অঙ্কন করা হয়েছে। অর্থাৎ গাজী এখানে ইসলাম ধর্ম প্রচারক। কিন্তু তার ধর্ম প্রচারের প্রক্রিয়া বহুমাত্রিক—প্রথমত, বল প্রয়োগকারী; দ্বিতীয়ত, পরাজিত অমুসলিম রাজপরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনকারী এবং তৃতীয়ত, কারামত বা অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন সাধক।
গাজীর পিতা শাহ সেকান্দার পাতালপুরির বলিরাজাকে পরাজিত করে তার কন্যা ওসমা বা অযুবাকে ধর্মান্তরিত করে বিবাহ করেন। গাজীর জ্যেষ্ঠ ভাই যুলহাউসও পাতালপুরির আরেক শাসক জঙ্গরাজার কন্যা পাচতোলাকে ধর্মান্তরিত করে বিবাহ করেছে। গাজী নিজেও ব্রাহ্মণ নগরের মুসলমান বিদ্বেষী মটুক রাজার কন্যাকে ধর্মান্তরিত করে বিবাহ করেছে। আবার বিক্রম কিশোর রাজার নরভক্ষক কন্যা ভানুমতিকে অভিশাপ মুক্ত করে কালু বিবাহ করেছে, যে ছিল ইন্দ্রলোকের অভিশপ্ত বিদ্যাধরী। এখানে উল্লিখিত কাব্যের প্রতিটি চরিত্রই যুদ্ধে অমুসলিম (প্রধানত হিন্দু) রাজ শক্তিকে পরাজিত করেছে এবং পরবর্তী সময়ে সেসব পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে।
তবে যেসব রাজা গাজীর ধর্মমতকে অগ্রাহ্য করেছে এবং গাজীর বিরোধিতা করেছে তাদের প্রতি যুদ্ধের পাশাপাশি অলৌকিক শক্তির সাহায্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে গাজীর সঙ্গে যুদ্ধরত মুসলমান বিদ্বেষী শ্রীরাম রাজাকে ব্রাহ্মণ গণনা করে জানিয়েছে ‘আওয়াল কলেমা পড় হও মুসলমান। সর্ব শাস্তি হইতে পাইবে পরিত্রাণ।। কলেমা না পড়িলে তোমার রক্ষা নাহি।’ তখন সে বাধ্য হয়েছে ইসলাম গ্রহণ করতে। গাজী কালু চম্পাবতী আখ্যানে দেখা যায়, গাজী কর্তৃক নরবলি দানকারী ডিমসরা রাজার দশভুজা মূর্তি আসার (গাজীর লাঠি) আঘাতে ভাঙা, শালগ্রাম আগুনে পুড়িয়ে দেয়া, ফলে রাজার ইসলাম গ্রহণ। এছাড়া বনের বাঘ যখন গাজীকে আক্রমণে উদ্ধত হয়েছে, তখন বাঘের শরীরে আগুন লেগে যায়, তখন গাজীর বশ্যতা স্বীকার করায় বাঘ গাজীর আশীর্বাদ প্রাপ্ত হয়। এমনকি ব্যাঘ্রদেবতা দক্ষিণ রায়ও প্রবল যুদ্ধে পরাজিত হন এবং তিনি গাজীর শিষ্যে পরিণত হন। সিদ্ধাদের গঙ্গা দর্শনের মনোবাঞ্জনা পূরণের প্রতিদানে কালেমা পড়া ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণের দৃষ্টান্ত আখ্যানে দেখা যায়।
আবার অরণ্যের সাতজন দরিদ্র কাঠুরিয়া সহজেই গাজীকে পীর হিসেবে গ্রহণ করে, নিজেদের দা বন্ধক রেখে গাজীর আহারের ব্যবস্থা করে, ফলে গাজীও তাদের সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে তাদের দারিদ্র্য দূর করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। গাজী গঙ্গামাসির কাছ থেকে সাত লাখ ধন এবং বিশ্বকর্মার সহযোগিতায় কাঠুরিয়াদের জন্য সুরম্য ইমারত তৈরি করে দেয়ার পাশাপাশি রাজ্য স্থাপন করে কাঠুরিয়াদের সে রাজ্যের রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যেহেতু কাঠুরিয়ারা নিম্নবর্গের মানুষ, তাই অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে তাদের কাছে গাজী সহজেই পৌঁছতে পেরেছে।
তিন.
দোর্দণ্ডপ্রতাপী যোদ্ধা গাজীকে ইসলাম ধর্মের একনিষ্ঠ প্রচারক হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে সে সর্বজনগ্রাহ্য পীর হয়ে উঠেছে কীভাবে? এমন প্রশ্নের উদয় হতে পারে। এদিক থেকে গাজীর অলৌকিক শক্তির প্রভাব বিবেচনা করা যেতে পারে। কারণ, হরিকাম রাজা চম্পাবতীর প্রতি আকৃষ্ট হলে দৈবযোগে সে অন্ধ হয়ে যায়, তখন গাজী-চম্পার নামে শিরনি মানত করে সুস্থতা লাভ করে। এছাড়া প্রচারিত হয়, যে ‘খোঁড়া কানা যত জনা পাউক চক্ষুদান। গাজীর কথা নহে বৃথা লোকে পাইল ত্রাণ।’ এছাড়া অন্য হিন্দুদেরও দেখা যায় গাজীর নামে মানত করতে, কারণ ‘রুগী তাপী নিপুত্রি নিধন আবিল।/মানসিৎ করিলে তার হএত হাসিল।/রাত্রি দিবা হএ গাজী চম্পার শিরিনি।/এ রাজ্যে হয়াছে এ নোতুন বাখান।।’ অর্থাৎ গাজী রোগ, তাপ, দুঃখ দূর এবং নিঃসন্তানকে সন্তান দান করার ক্ষমতা রাখে।
আবার মুসলমান গ্রাম প্রধানের সঙ্গেও গাজীর দ্বন্দ্বের ঘটনা দেখা যায়। মিসির গ্রামের ‘মেহের খাঁ পাঠান সর্ব তত্ত্ব জানে। আল্লার আলম যার সদাএ সামনে।’, সে যখন গাজীকে নারী হরণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে তখন, সে নিজেই অপমানিত, বিপর্যস্ত হয়ে উপলব্ধি করেছে— ‘কলির পীর বড় খাঁ গাজী আসি লহো বর। দুর্জন সংহার করে পাতকী উদ্ধারে। নিপুত্রিক পুত্র দেএ শোক তার হরে।।’
চার.
গাজী কাহিনীতে তার বিজয়ের বর্ণনার মধ্য দিয়ে ইসলাম ধর্মের একচ্ছত্র বিজয় দেখানো হলেও হিন্দু সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লেষণের নানাদিকও দেখা যায়। বিশেষ করে গাজীর প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে দেখা যায়— ‘কোরআন পড়িয়া মিঞা করিল তামাম।/ফারসি নাগরী পড়ে নবীর কালাম।/পড়িলেন সকল বিদ্যা করিলেন ভেদ।/শিখিলেন চৌদ্দ শাস্ত্র আর চারি বেদ।।’ অর্থাৎ দুই ধর্মের জ্ঞানের সঙ্গেই গাজীর পরিচয় ঘটেছে।
আবার দেবি চণ্ডী ও গঙ্গাকে গাজীর মাসি হিসেবে খুবই সক্রিয় চরিত্র হিসেবে দেখা যায়। দক্ষিণা রায় গাজীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গঙ্গার সাহায্য প্রার্থনা করলে গঙ্গা গাজীর সহায়ক হিসেবে জানায়— ‘আমি আর দুর্গা তার সহায় আছি। কী করিতে পারে উহার করি দাগাবাজি।। পুত্রেক চাহিয়া বাছা গাজীকে লাগে দয়া। আমরা আনন্দে আছি গাজিক দিতে বিয়া।।’
আবার যদিও গাজী চণ্ডীর দশভুজা মূর্তি ভেঙেছে তথাপি চণ্ডীর বিশেষ কৃপা গাজীর প্রতি, তাই চম্পাকে সে জানায়— ‘গাজী মোর ভক্ত/ফকিরিতে শক্ত/করিবেন তোমাকে বিয়া।/যেমত জানি আমি কার্তিক গনাই/এহি বরাবর/গাজী কালু মোর/ছাড়া এক ঘড়ি নাই।।’ চণ্ডী গাজীকে নিজের পুত্রসম বিবেচনার পাশাপাশি পূর্বজন্মের কথা স্মরণ করিয়ে চম্পাকে জানায় যে, পূর্বজন্মে গাজী কৃষ্ণের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিল, কিন্তু ব্রাহ্মণ মটুক রাজা তখন কৃষ্ণের উপস্থিতিতে গাজীকে অপমান করেছিল, তাই কৃষ্ণ মটুক রাজাকে অভিশাপ দিয়েছিল যে যবনরূপী গাজীর হাতে ব্রাহ্মণ মটুক রাজার পরাজয় ঘটবে এবং গাজী ব্রাহ্মণের যবন জামাই হবে।
মুসলমান পীর গাজীকে এ হিন্দু পৌরাণিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে চিত্রিত করা এবং গাজীর প্রতি ফেরেস্তা, খোয়াজ, বিশ্বকর্মা, বাঘ, পরি, দেবি গঙ্গা ও চণ্ডীর অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা দুই ধর্মের সাংস্কৃতিক সমন্বয়বাদকেই নির্দেশ করে।
পাঁচ.
মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের রচনার বৃহৎ অংশই আরবি-ফারসি ও সংস্কৃত-হিন্দি-অবধি আখ্যানের অনুবাদ, সেগুলোর অনুকরণে তারা যেসব মৌলিক কাব্য রচনার প্রয়াস পেয়েছিলেন সেসব কাব্যের পটভূমি হিসেবে পারস্য অথবা রূপকথার কল্পজগতের উপস্থাপন দেখা যায়। কিন্তু গাজী-কালু-চম্পাবতী আখ্যান অপরিচিত পটভূমিতে স্থাপিত না হয়ে বাংলাদেশের ভূগোলে চিত্রিত হয়েছে। ফলে কোনো একক ঐতিহাসিক চরিত্রের সঙ্গে তাকে মেলানোর সুযোগ কম। হিন্দুকে ইসলামে দীক্ষিত করা গাজীর প্রধান কাজ হলেও হিন্দু ঐতিহ্যের সঙ্গে সমন্বিত করার প্রবণতাও এ কাহিনীর রচয়িতাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে গাজী পীর তার অলৌকিক শক্তির সাহায্যে বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্যকারী হিসেবে বাঙালি সমাজের একটি বৃহৎ অংশের আস্থার প্রতীক হিসেবে এখন পর্যন্ত টিকে আছে।
সহায়কগ্রন্থ
আব্দুর রহিম, গাজী কালু ও চম্পাবতী কন্যার পুথি, ১৯৯৫, সোলেমানিয়া বুক হাউজ, বাংলাবাজার, ঢাকা
আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া, বাংলা সাহিত্যে গাজী কালু ও চম্পাবতী উপাখ্যান, ২০০৮, দিব্য প্রকাশ, ঢাকা
ওয়াকিল আহমদ, বাংলার পীর সাহিত্য ও সংস্কৃতি, ২০১৬, বইপত্র, ঢাকা
Tony k. Stewart, Witness to Marvels sufism and Literary Imagination, 2019, University of California Press, Oakland, California
নাজমুল হোসেন: সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
