জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ তমা খাতুনকে হত্যার দায়ে স্বামী জনিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এড. ফজলুল হক জানান, জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে জনির সাথে বিয়ে হয় লাহিড়ীকান্দা গ্রামের হামিদুর রহমানের কন্যা তমা খাতুনের। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে তমা খাতুনকে।
২০১৫ সালের ১৯ মার্চ দুইলাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করে হত্যার পর তমা খাতুনের মৃতদেহ ঘরের ধর্নার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করে জনির পরিবার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমান পায় পুলিশ। এঘটনায় নিহতের মা কুলছুম বেগম বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল হত্যা মামলা দায়ের করে। ১০ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহন শেষে তার স্বামী জনিকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন আদালত। একইসাথে আসামী জনিকে পাঁচলাখ টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়।
মামলার অপর দুই আসামি ইয়াকুব ও ময়নাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত জনি বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
